Tuesday, August 31, 2021

He said softly n lastly

"Walk with me"

So we started walking like we hd never walked before 

There ws no love n no sorrow 

N there ws so much love n so much sorrow

We kept walking together through parallel universes 

N we never met

We only knew dat we hd our vows 

N we knew dat we r ment to walk together 

Monday, August 30, 2021

রেলা | এক

সবাই তো দুই চোয়ালেই খায়

কেউ কম আর কেউ বেশি

কিন্তু কেউ কেউ আছে এমনই

দু'দুটো জিভ নেড়ে কথা কয়

যখন যেমন সুবিধে

কিংবা যখন যেমন খুশি

যারা ধুলোতে ল‍্যাটকাতে পারে নিশ্চিন্তে

বোকা গালিব কখনোই ছিলনা তাদের একজন

হায় সুদর্শন চাঁদ !!!

চির ছোকরা তুমি রয়েই গেলে!

কালোদের, সবুজদের, সাদা, লাল আর হলুদদেরও গানে

করুনা ও ধর্ম রয়েছে যাদের

তারা ত‍্যাগ করতে পারে সব

চোখে দেখা রাজারা রাজা তো  নয় আসলে কেউই

বিভ্রমের পৃথিবী, হায় !!!

চির মায়াবিনী রয়েই গেলে তুমি!

তবে বলি কি, পারো তো ছুঁয়ে দেখাও বৈরাগী প্রেমিককে...





Saturday, August 21, 2021

টুকরো কথা : মহড়া

স্বপ্নগুলো হয়তো অধরা থেকে যাওয়াই ভালো, আজকাল মনে হয়। একটা নাটক আছে "আধে অধুরে", অনেক বছর আগে রিহার্সেল রুমে দিনের পর দিন ওই নাটকটার আঠারো উনিশ বছরের এক নারী চরিত্রে মহড়া দিয়ে গিয়েছিলাম, লোকবলের অভাবে (?!) নাটকটা আর মঞ্চস্থ করা হয়নি আমাদের। আফসোস নেই কোন এতে, কতো মহড়াই তো দিয়ে গেছি এই জীবনে, ঘরে, বাইরে। মাঝে মাঝে মনে হয়, যতো রকম মহড়া রয়েছে, সেই মহড়াগুলোই প্রকৃত সত‍্যি... পরিবেশন... কি আর বলবো, পরিবেশন শব্দটার মধ‍্যেই উত্তরটা যে পাওয়ার সে পাবে। সে যাকগে... নাটকটা তো মঞ্চস্থ হলো না আমাদের কিন্তু, অন‍্য আরো অনেক নাটকের মতোই, এর চরিত্রগুলো আমার মাথায় চেপে বসে রইলো। একটা অস্বস্তিকর, অস্বাস্থ্যকর, কাপুরুষসুলভ জাগতিক বাস্তবতা আমাকে তাড়া করে ফিরতে লাগলো। অসম্ভবতাময় সব না পাওয়াগুলো ম্লান করে দিতে লাগলো সেই সবকিছুকে যেগুলো প্রকৃতপক্ষে সম্ভব। 


আমি, সত‍্যি বলতে কি, অতীত নিয়ে বাঁচিনা কখনোই। পীড়িত হই, চমৎকৃতও হই, কিন্তু বর্তমানের পরিচয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সময়, গ্রহ, নক্ষত্র, অণু, পরমাণু, কিংবা প্রতিনিয়তের মৃদু কম্পন, সদা পরিবর্তনশীল বর্তমান, আমাদের পরিচয়ও তেমনই। মাথার ভেতর বোধ, সেও পরিবর্তনশীল। আমার এক বন্ধু কিছুদিন আগে, আমার অগ্রহনযোগ‍্য (?!) ক্রিয়াকলাপ ও চিন্তাভাবনার কিছুটা আভাস শুনে হয়তো একটু শ্লেষে সাথেই বলেছিল "Look, U r not a teenager anymore". হুম, আমার ভালোর জন‍্যই বলেছিল। দিনের শেষে বেশিরভাগ মানুষই শুভাকাঙ্খী, জানি, ওরা ভয় পায় অনিশ্চিত, অচেনা ভবিষ্যৎ এবং বর্তমানকেও। 


আমি যখন খুব ছোট ছিলাম, খুব নাকি প্রশ্ন করে করে লোকেদের মাথা খেতাম, সবাই ভীষণ বিরক্ত হতো। তারপর কখন থেকে যে প্রশ্ন করা ছেড়ে দিয়েছি, মনে নেই। উত্তরগুলো কবে থেকে নিজেই খুঁজে নিতে শুরু করেছি, তাও মনে নেই। উত্তর খুঁজে না পেলে যে মন খারাপও করতে নেই, তা কখন বুঝলাম কে জানে। শুধু উত্তর নয়, কোন না পাওয়া নিয়েই আসলে মন খারাপ করতে নেই, এটাও ভেবেছি খুব ছোটবেলাতেই। কারো কারো মনে হতে পারে এই জীবনটা কি মারাত্মক সব ভুলে ভরা, কিন্তু ওই ভুলগুলো না হলে তো অন‍্য সব ভুল হতো, একটা খাঁটি জীবন ভুলে ভরাই তো হবে, তাই না? ছিমছাম, নিপাট, নিখুঁত, boring একটা জীবন কে চায় (?), আমার তো অন্তত চাই না। ওই যে বললাম মহড়ার কথা, কোথায় যেন, খুব খাঁটি, জীবনটাও তেমনি। আজ হয়তো আমার যথাযথ পরিণত আচরন ও  চিন্তাভাবনা করা উচিত, যে বয়সের যে চাহিদা। কিন্তু মজার ব‍্যাপার হলো, অপরিণত বয়স আমার কখন ছিল তা তো আমি জানতামই না আর তার চেয়েও বড় কথা, অপরিনত বয়সে যে অপরিণত আচরন ও চিন্তাভাবনা করা যায়, তাও তো কেউ কোনদিন ঘুণাক্ষরেও জানতে দেয়নি!


সে যাকগে, কেউতো আর উত্তর দেবার চাকরি নেয়নি, আগ বাড়িয়ে কিছু জানানো তো দূর। পরিণত ও অপরিণত জ্ঞান, চিন্তা ও জীবনযাপনের ধাঁধাটা কিন্তু প্রত‍্যেকের জন‍্যই। আপাতত বেঁচে আছি, বেঁচে থাকি প্রতিদিন, একই সাথে মোহময় ও মোহহীণ কোন ইত‍্যবসরে। সারি সারি খাঁটি মহড়া দিয়ে যাই প্রতিদিন অগুনতি স্নায়ু কোষে কোষে। পরিণত না অপরিণত তার বিচার করতে চাইনা ভুলেও, ব‍্যাঁকা হোক...তবু আমার...





Friday, August 6, 2021

টুকরো কথা : ডাক : এক

সেদিন কোভিড টেস্টের লাইনেই একজন লোক মরে গেল। করোনা মহামারির ভয়াবহতা ফিল্মে দেখা মহামারিগুলোর মতো ঠিক নয় যদিও তবু এই খবরটা পেয়ে একটা আতঙ্ক পেয়ে বসলো আমাকেও। মূহুর্তেই মনে হলো আমিও কভিড টেস্টের লাইনে দাঁড়িয়ে আছি আর ঠিক সামনে দাঁড়ানো লোকটা হঠাৎই ভীষণ  শ্বাসকষ্টে কাতরাতে কাতরাতে মরে গেল চোখের সামনে। চারিদিকে মৃত‍্যুআতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লো বিদ‍্যুৎগতিতে, চারপাশে আমরা সবাই বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি ঘটনাটা কিন্তু কেউ কাছে যাচ্ছিনা। কিছুক্ষণ পর পিপিই পরা কয়েকজন এলো আর মৃতদেহটা উঠিয়ে নিয়ে গেল দক্ষতার সাথে। 


আমি মৃত‍্যুকে ঠিক ভয় পাইনা, মৃতদেরও না, কিন্তু মৃত‍্যু পথযাত্রীদের নিয়ে আমার বরাবরই ভয়। কাউকে চোখের সামনে মরতে দেখিনি, দেখতে চাইও না। চাইনা কেউ দিয়ে যাক তার শেষ শব্দ, শেষ দৃষ্টি, শেষ নিঃশ্বাস আমার স্মৃতিতে। বহুদিন আগে একটা কুকুরের মৃত‍্যুর কথা পড়ে এতোটাই বিমর্ষতা পেয়ে বসেছিল যে দস্তয়ভস্কির "Humiliated and Insulted" উপন‍্যাসটা আর পড়াই হলোনা। কুকুরটা তো মরেছিল, ওর নিঃস্ব, বৃদ্ধ, নিঃসঙ্গ মালিকটার কি হয়েছিল তারপর কে জানে?


আজ একটা খবরের শিরনাম হলো "নদীতে সাঁতার শিখতে গিয়ে তিন বোনের মৃত‍্যু"। এমন খবরে হাসবো না মন খারাপ করবো বুঝতে পারছি না। আমি যতদুর জানি যারা ভাল সাঁতার জানে তারাই কেবল নদীতে নামে। তিন বোনের বয়স দশ থেকে ষোল, বেড়াতে গিয়েছিল, খরস্রোতা নদীর তীরে আত্মীয়ের বাড়ি, নদীর রুপ ধরে মৃত‍্যু ডেকেছিল ওদের। মৃত‍্যু যখন ডাকে মানুষ ভীষণ বোকা হয়ে যায়। বেশ কিছু বছর আগে আমার পরিচিত এক যুবক কর্ণফুলি ব্রিজের ধারে তার সদ‍্য বিবাহিতা স্ত্রীকে নিয়ে পা ঝুলিয়ে বসেছিলেন, হঠাৎ ওনার স্ত্রী হড়কে নদীতে পড়ে গেলেন, উনিও হিতাহিত জ্ঞান ভুলে নদীতে ঝাঁপ দিলেন স্ত্রীকে বাঁচাতে। শাড়ি পরা মেয়েরা নাকি সহজে পানিতে ডোবেনা, সেবার প্রথম জেনেছিলাম। অনেক রাত পর্যন্ত আমরা নদীর ঘাটে ভীড় করেছিলাম, আশা ছিল যুবকটি হয়তো বেঁচে আছেন। ওনার কাছের মানুষরা খুব অবাক হয়ে ভাবছিলেন যে এতো সাবধানী ও বিচক্ষণ একজন মানুষ কি করে স্ত্রীকে নিয়ে ব্রিজের ধারে পা ঝুলিয়ে বসার কথা ভাবতে পারেন তাও আবার যখন ব্রিজটি হলো কর্ণফুলি নদীর ওপর। হুম, মৃত‍্যু ডেকেছিল সেদিন ওনাকে, আর যুবকটিও সাড়া দিয়েছিলেন, অবিবেচকের মতো, বোকার মতো...



Thursday, July 29, 2021

পৃথিবীর গর্ভে অগ্নি 

একটা নষ্টা মেয়েমানুষের ত্বক জাগিয়ে মজা দ‍েখে যায় গতজন্মের প্রেতাত্মা

মৃত‍্যুকে চুমু খায় তৃষ্ণার্ত ঠোঁট

সুবিন‍্যস্ত পেশী, অস্থিময় কাঠামো, শিরা-উপশিরা

ব‍্যাথায় কুঁকড়ে কুঁকড়ে ওঠে যখন

চৌকাঠ পেরিয়ে স্বপ্নরা অগস্তে যায়

রেডিওতে সংগীতময় ভালবাসাবাসি 

নিভৃত স্থবির দুপুরের কাছে 

সব গানই নির্দয় দূঃখের গান

ধ্বংসযজ্ঞে আর কোন বাধা নেই

কোনকালেই কি ছিল?

পৃথিবীর গর্ভে অগ্নি 

ঈশ্বরের চোখে কান্না


Sunday, July 11, 2021

কিন্নরী

বোকা আকাশ আর বোকা বোকা পাহাড়ের সারি যেখানে শান্ত করে রাখে নীল নদীটিকে

সেখানেই জেগেছিল প্রেম একদিন

এমন উদাস ভাবকেই যে প্রেম বলে কারই বা জানা ছিল

প্রেমিকের চুম্বনে মিশে ছিল তপ্ত নিঃশ্বাস

প্রেমিকের দৃষ্টিতে মিশে ছিল স্বর্গীয় কামক্ষুধা

অবুঝ নরম গাল চুইয়ে বিকেলের সূর্য ঠিক ডুবেছিল এক সময়

এতো রক্তাভা ছিল আর এতো নিঃশব্দ নিষ্পাপতা

প্রেম জেগেছিল অসহায়ের মতো, পরাধীন আত্মার মতো, ক্ষয়িষ্ণু পাড়ের মতো

তারপর

সব পাখিদের মতো, ঝড়ো বাতাসের মতো, সূর্যের মতো কিংবা ঈশ্বরের মতো

ঘরে ফেরে সব উদাসী প্রেমিকেরাও একদিন

নতুন পৃথিবীতে সবকিছু চেনা, সবকিছু পুরোনো

সময়ের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত ছুটে ছুটে যে বেড়ায়

সে হাতড়ে হাতড়ে চলে নক্ষত্র পুঞ্জের গোলকধাঁধায়

বিরুদ্ধচারী সময়, অপ্রসন্ন নিয়তি যুঝে যুঝে

ফিরে পেতে চায় অস্তগামী সূর্যের চুম্বন 

আকাশ, পাহাড় আর নীল নদীটিকে

প্রেম জেগে ওঠে, প্রেম বেঁচে থাকে

অসহায়ের মতো, পরাধীন আত্মার মতো, ক্ষয়িষ্ণু পাড়ের মতো

কিন্তু প্রবল দূর্বাশা সময়ের পাপচিন্তা ঘিরে থাকে বিষাক্ত বলয় হয়ে

কাম জেগে ওঠে, কামনা বেঁচে থাকে

অসহায়ের মতো, পরাধীন আত্মার মতো, ক্ষয়িষ্ণু পাড়ের মতো

কিন্তু বর্ণচোরা পাপে শেকলগ্রস্ত প্রেমিক চাইনা ফিরে তার 






Wednesday, July 7, 2021

Learned Shopkeepers

Nothing has changed

Nothing changes anyway

We learnt well where to see

We learnt well what to see

We learnt well how to see

We learnt well where to buy n where to sell

We learnt well what to buy n what to sell

We learnt well how to buy n how to sell

Rewards n gains

Ashes n pains

Gravity n force

Truth n flaws

Holding a scream in between 

We learnt well even how to stop

We learnt well even when to pull away 

claver n keen

Intensive n esteemed 

Deaf n blind

Tempted n craved


Did we ever see what we never learnt?

Did we ever say what we never learnt?

Did we ever feel what we never learnt?

Did we ever ask for what we never learnt?


If we opened the box for a while

If we asked for a sin for a while

Nothing would be changed, may be

Nothing changes ever, may be

But our dark eyes would shine brighter for sure

N our wounded souls could find a way to heal for sure





Tuesday, July 6, 2021

In Between

She gave him a box

He received it 

But never had time to open  it


He gave her some advices

She learnt well

But never could apply them in real


Both of them left the city

He left the box behined

She left the advices behind


They never knew what future holds

They still dont hv any cut

They never fought 

Never talked bout feelings 

They only knew something 

Ancient n mysterious 


Both of them left the city

He took some smell in his head

She took some eyes in her head







আবোলতাবোল : পনের

হলোনা বেড়ানো ঘরেই রহিনু বসিয়া

কোথায় প্রাণনাথ? কোথায় রঙ্গ-রসিয়া?

ঘুম থেকে উঠে উঠে সদ‍্য

লিখতে চাই কয়েক ছত্র পদ‍্য

কালো কফি বাটার টোস্ট

পোলাও টিকিয়া চিকেন রোস্ট

টেনশানহীন জীবনেও হয়ে যাচ্ছি পেরেশান

সত‍্যি সেলুকাস, বড় বিচিত্র হিউম‍্যান ইনটেনশান

খাও দাও ঘুমাও আর হাগো

এমনটাও ভালো লাগেনা দেখি

খালি খালি "কুন্ঠে সবাই বাহে... জাগো..."

রাস্তার মোড়ে মোড়ে জ‍্যাম জটলা প‍্যাঁ প‍্যোঁ

নব‍্য হাজতিদেরও রোমাঞ্চকর ট‍্যাঁ ফ‍্যোঁ

আমি আপাতত স্থানু এক শৈবালগ্রস্ত প্রবাল

ঠিক করেছি ঘরে শুয়ে শুয়ে ছিঁড়ে যাবো বাল

কুঁড়েরাই এখন নিও রেসপনসিবলস

লকডাউন শাটডাউন সিঙ্ক্রোনাইজড ডিজঅর্ডারে

হিউম‍্যান রেইস শুড নাউ অনলি প্লে উইদ দেয়ার বলস

পৃথিবী পুরোপুরি ধ্বংসের আগে 

র‍্যাদার থিঙ্ক দিস ইজ আ হামবেল ট্রিট ফ্রম গডস

(সি দা ব্রাইট সাইড সিসেস এন্ড ব্রোস)

ইউ আবালস আর নাউ হ‍্যাভিং আ লাইফ লাইক মাইটি ল‍্যান্ডলর্ডস

অনেক তো করেছিলে কমপ্লেইন

আহা থাকে কতো আনন্দে বাড়িওলার পোলায়

সারাদিন নেটফ্লিক্স আর বড় বাপের পোলা খায়

'মানুষ সামাজিক জীব' টাইপ বাল যারা কপচায়

তাদের পেছনে আজ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির বাঁশ

শৈশব কৈশোর ও যৌবনের দৌড় পাবজি টু ক‍্যান্ডিক্রাশ

নিও সোশ‍্যালিজম নাউ ফ্রম সুদূর চায়না

প্রোডাকশান এন্ড পারফেকশান এন্ড নো বায়না

ভাইটু, বোনটু, যদি বার্ধক‍্যের ভারে হও এখনি নত

ইউ আর সো আনলাকি, কিছুদিন আগেপরে জন্মালে হত

নেচার ইজ ক্লিয়ারিং অল অবসোলেট এলিমেন্টস

এটাই নিয়ম, ভুড়ি বানাতে বানাতে উই ফরগট ইট, ফ্রেন্ডস

কনজুমারিজম ইজ টু বি রিপ্লেসড বাই সারভাইভালিজম

অন অ‍্যান এক্সট্রিম প্লাস র‍্যাম্প, রিমেমবার? উই লস্ট আওয়ার ভিশন

কাম নাই কাজ নাই নড়াচড়াতেও আজকাল ব‍্যাপক ভয়

বাটারফ্লাই ইফেক্ট থেকেই নাকি টর্নেডো আর্থকোয়েক ইত‍্যাদি ইত‍্যাদি হয়

গুরুজনেরা তাই হয়তো কয়ে গেছেন

ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিওনা

এখন ভাবার প্র‍্যাকটিস তাই রাতদিন

আঙুলে পৃথিবী থাকুক কিন্তু নাচাইও না

জাগো বাহে কুন্ঠে সবাই...

কিপ পেশেন্স এন্ড কিপ ইনোসেন্স

লেট দা ওয়ার্ল্ড বি ক্লিনড

যত্রতত্র বাল ফালাইওনা




Friday, July 2, 2021

সুপ্রভাত : পনের

বারান্দায় তিনটে পাখি এক অদ্ভুত সংগীত বাজিয়ে যাচ্ছিল 

চিউ কি ক্রি আ...ম চিক্রু বম বম বম

স্টাফ নোটেশান টা লিখে রাখলে ভালো হতো

ওরা বার বার একটা লাইন ই বাজাচ্ছিল 

কাছেই কোথায় একটা বৈদ‍্যুতিক ট্রান্সফরমার বাস্ট হলো

আমরা সবাই ভয় পেয়ে গেলাম

ওরা হয়তো চলে গেছে

আমি শুয়ে আছি

থাকবো আরো কিছুক্ষণ 

আমার পুরো ঘর আর বাহির জুড়ে বৃষ্টির গন্ধ



Ma heart feels a sync

Mirror smiles back to an ecstasy 

Thinkin of Ur love

Ma heart feels a sync

Not a good time

Never been ever

May be

We r destined to nowhere

But

Do we still hold on ourselves?

I wonder...

Love reaches eyes on the mirror

Baby

I can't help thinkin of U

Ma heart feels a sync

Its the time

It ws always been the time...

May be...







Thursday, July 1, 2021

আলমারি

সকালের নরম রোদ

নরম তুলো 

নরম সব রঙ

ঈষদুষ্ণ স্নানের জল

হালকা গন্ধের যত্ন

মিষ্টি মিষ্টি স্বাদ

আর 

ঘুম পাড়ানি গানটা

রাখা থাকে আলমারিতে




গিয়ার

রাত একটু গভীর হলে ওরা বেরিয়ে পড়লো

ঠিক করলো শহরটা চষে বেড়াবে হাই গিয়ারে

নগ্ন এঞ্জিন আর ঝড়ো চাকার শব্দ পৌঁছে যায় সবচেয়ে উঁচু ফ্ল‍্যাটটার শোবার ঘরেও

ঘোরে কেউ ভুল বকে, ডাকে ভুল নামেও

পুলিশের গাড়ি ঠিক ধাওয়া করে পিছু

ইঁদুর বেড়ালের মজার খেলা চলুক ক্লান্তিঘন সময়কে চমকে চমকে দিয়ে

রোমিঞ্চিত মন, সদ্বিবেচক মাথা, একঘেয়ে নিয়তি

গন্তব‍্য পিছলে যায় পাপপঙ্কে বারবার

তারপরও 

কয়েকটা চক্কর বড় রাস্তাগুলো ধরে

মন্দ কি?

শহরের শেষ প্রান্তে আমুদে দৌড়বাজ আর পুলিশ সিগারে সুখটান দিয়ে হয়তো ছাড়বে কৌতুকপূর্ণ গোল গোল ধোঁয়া

এঞ্জিনগুলোও একটু জিরিয়ে নেবে 

তারপর আবার নাহয়...

শোবার ঘরে কারো কারো মগজ হাই গিয়ারে অতীত পার করে 

একটা রোমাঞ্চকর কল্পনার ঘোরে ওরা আরেকবার শ্বাস নেয়

ওদের ঠোঁটের অস্ফুট শব্দ গুঁড়িয়ে দিতে পারে সব শান্তিচুক্তি 

কাল সকাল থেকে সবার বন্দী হবার কথা আবার জগতের কল‍্যানে

কিন্তু

প্রতিশ্রুতি ভেঙ্গে যারা ভুলে থাকে প্রিয়তম আত্মাদের

তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নিঃস্বদের কাছেও



Sunday, June 27, 2021

অনিদ্ররা

: কি চাই তোমার?

: ওই অন্ধকার।

: কি দেবে বিনিময়ে?

: এই অন্ধকার।

: কে তুমি?

: অন্ধকার।

: যাবে কোথায়?

: চির অন্ধকারে। 




❤ PRETTY LIE SONG ❤

U owe me a song boy

U owe me neatly grafted beautiful words

Sensual progressions of notes

smooth dreamy beats

N the deepest voices from the promised heaven


I m sorry I forgot for a while

U r the most truthful creature got close to me

with those deepest eyes like stars

N the flash of the morning sunshine like smile on Ur face

I ws middle of something 

hopeless n miserable 

At once the world turned cozy n peaceful 


U owe me a song boy

Sorry I forgot for a while

It ws like the finest liquor under the full moon

The gentle breeze ws absorbing n groovy

U were beside me 

as close as I could sense Ur temperature n smell n sanity

Silence ws so tempting 

We forgot to think bout words

remember?


U owe me a song boy

U owe me devotedly weaved blissful words

Seductive progressions of notes

Concentrated thaughtful beats

N the Iustful voices from core of real universe


https://soundcloud.app.goo.gl/rc2gw







Saturday, June 26, 2021

টুকরো কথা : পিরিয়ড

ক্লাস সেভেনের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল তাই ভোরে ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়েছিলাম। হঠাৎই খেয়াল করলাম ফ্রকের নিচের দিকে সাদা ঝালরে ছোপ ছোপ খয়েরি (ঠিক যেন খয়রি ও নয়) দাগ। অতোটা পাত্তা দিলাম না দেখে বরং মুখহাত ধুয়ে ঠিকঠাক লক্ষ্মী মেয়ের মতো পড়তে বসলাম। কিন্তু হঠাৎই একটা অন‍্যরকম অস্বস্তি হওয়াতে ছুটে বাথরুমে গেলাম। ভয়ে আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে পড়লাম কারন খেয়াল করে দেখলাম প‍্যান্টিতে তাজা রক্ত গড়িয়ে যাচ্ছে আর জামার পেছনেও ছোপ ছোপ  টাটকা রক্ত। কোত্থেকে রক্ত বেরুচ্ছে তা বুঝতে পেরে গা হাত পা আরো হীম হয়ে গেল। হঠাৎই মনে হলো আমার মনে হয় বাচ্চা হচ্ছে কারন কার কাছে যেন শুনেছিলাম বাচ্চারা পেটের ভেতর রক্তের মধ‍্যে ডুবে থাকে আর প্রসবের সময় রক্তসহ বেরিয়ে আসে। আমার মানসিক অবস্থাটা ঠিক কি ছিল সে মুহূর্তে তা আসলে ভাষায় বোঝানোটা মুশকিল। ম‍্যান্সট্রুয়েশান বা যাকে আমরা চলতি ভাষায় বলি পিরিয়ড, তার সম্পর্কে কোন ধারনাই আমার ছিলনা। বাড়িতে মা ছিল, বড় বোন ছিল, স্কুলের বন্ধুরা, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী কেউ কোনদিন এই প্রসঙ্গটাই কোনদিন টানেনি। আতঙ্কে পরীক্ষার পড়া মাথায় উঠলো। মা কে ভীষণ ভয় পেতাম তাই কিছু বল্লাম না আর বোনকেও বল্লাম না যদি মাকে বলে দেয় সেই ভয়ে। আর বাবা কিংবা ভাইদের এই লজ্জ্বাজনক কথা বলার প্রশ্নই ওঠেনা। কিন্তু রক্তের দাগতো আর বেশিক্ষণ চাপা দিয়ে রাখা যায় না। ব্রেকফাস্ট শেষ করে উঠতেই মা আর বোন ঠিক ধরে ফেললো আমাকে। কিন্তু খুবই অদ্ভুত ব‍্যাপার মুখে টু শব্দটাও করলো না দুজনে, শুধু যেন চোখে চোখেই নিজেদের মধ‍্যে বললো কিছু একটা। পরে আমার মাই বুঝিয়ে দিয়েছিল কিভাবে স‍্যানিটারি ন‍্যাপকিন ব‍্যাবহার করতে হবে, বললো এখন থেকে প্রতি মাসেই এমনটা হবে কিন্তু এর বেশি কিছু আর বললো না। শুনে এতো কান্না পেয়েছিল, ভাবছিলাম কি এমন অন‍্যায় করেছি যে এমন খারাপ একটা অসুখ হলো।


এই ব্লগটাতে অনেক কিছুই লিখে রাখি, তো ভাবলাম ম‍্যান্সট্রুয়েশানের অভিজ্ঞতা নিয়েও কিছু লিখি। এ তো কোন নিষিদ্ধ বিষয়বস্তু নয় (সত‍্যি বলতে কোন বিষয়বস্তুকেই আমি নিষিদ্ধ বলে মনে করিনা) বরং জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতাই, বিশেষ করে যখন প্রবল রক্তপাতের কারনে আর পেশীর ব‍্যাথার কারনে আমি ঘুমাতে পারছিনা মোটে সারারাত, দূর্বলতায় নিস্তেজ হয়ে পড়েছি প্রায়, আর সেই সাথে চারদিকটা ঘোলা দেখছি, তখন ম‍্যান্সট্রুয়েশান ছাড়া আর কি নিয়েই বা লিখবো।


ক্লাস এইটে যখন পড়ি তখন এক ঈদের সময় পিরিয়ড হয়েছিল। ঈদের জামা পরে সারাদিন বাসায় বসে ছিলাম বুক ভরা প্রবল চাপা কষ্ট নিয়ে। এমন হয়েছে সমুদ্রে ঘুরতে গেছি কিন্তু পানিতে নামতে পারিনি। বাইরে কোথাও স‍্যানিটারি অব‍্যবস্থার কারনে প‍্যাড পাল্টাইনি দীর্ঘ‍্য সময় তাই সাময়িক ইনফেকশানেরও স্বিকার হতে হয়েছে কখনো। তবে এ কথা সত‍্যি যে আমি সেই ভাগ‍্যবতীদের মধ‍্যে একজন যাদের ম‍্যান্সট্রুয়াল ক্র‍্যাম্প হয় না তেমন একটা। আমার এক বন্ধুর এমন অবস্থা হয় যে প্রায় মাসেই হসপিটালে ভর্তি হতে হয়। এক বন্ধু একবার অফিসের মিটিংয়ের মধ‍্যেই ব‍্যাথায় অজ্ঞ‍ান হয়ে গিয়েছিল। আরেক বন্ধু একদিন দেখি ফেইসবুকে স্ট‍েটাস দিল পরজন্মে সে যেন আর নারী হয়ে না জন্মায়। আমি মনে মনে খুবই কৃতজ্ঞ এই কারনে যে পিরিয়ডের ভোগান্তিটা এখনো পর্যন্ত আমার সহনীয় পর্যায়েই থাকে।


পিরিয়ডকে আমরা নারীরা যেভাবেই হোক সহ‍্য তো করে নিই জীবনের সিংহভাগ, কাউকে জানতে না দিয়ে, বুঝতে না দিয়ে। নিতান্ত অপারগতা ছাড়া নিজেদের দায়িত্ব কর্তব‍্যগুলোও পালন করে যাই এই পীড়াদায়ক রক্তপাতকে যুঝেই, তবু একেই নারীর দূর্বলতা, অশুচিতা, অযোগ‍্যতা কিংবা পাপের শাস্তি বলেও বারবার নারীকে ধিক্কার দেয়া হয়েছে এবং এখনও দেয়া হয় প্রত‍্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে এই তথাকথিত সভ‍্য সমাজে। অন‍্য ধর্মের মতামত জানিনা, কিন্তু ইসলামিক এক বইয়ে পড়েছিলাম আল্লার নির্দেশ অমান‍্য করে গন্দম ফল খাওয়ার অপরাধে নারীজাতির ওপর অর্পিত অনেকগুলো শাস্তির একটি শাস্তি হলো ঋতুস্রাব। জানিনা ঠিক এর কোন কোরানিক ভিত্তি আছে, না কি এ শুধু সেই নির্দিষ্ট লেখকের মনগড়া গালগল্প। তবে যেটাই হোক না কেন এ এক ইসলাম বিরোধী শাস্তিই বটে। কারন ইসলামে তো একজনের পাপের ভাগ আরেকজনের ঘাড়ে চাপানোর নিয়ম নেই, শাস্তিভোগ তো দূর। সব ধর্মেই নারীকে অশুচি অপবিত্র মনে করা হয় এই পিরিয়ডের কারনে। পিরিয়ডের সময়ে কোন ধর্মীয় আচার পালন করা যাবেনা, সুরা বা মন্ত্রপাঠ করা যাবেনা, এমন কি ধর্মীয় ভাবে পবিত্র কোন স্থানেও প্রবেশ করা যাবে না। কিছু কিছু ধর্মীয়ভাবে পবিত্রস্থানে তো নারীদের সবসময়ই যাওয়া নিষেধ। আমার বাবাকে যেখানে কবর দেয়া হয়েছে সেই গোরস্থানে নারীদের প্রবেশ নিষেধ। একজনকে কারন জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন, বলেছিল, "কবরস্থান পবিত্র জায়গা, এই জন‍্য আর কি মহিলাদের ঢোকা নিষেধ"। জবাব কি হতে পারে জানতাম তারপরও যখন জিজ্ঞেস করলাম পবিত্র জায়গা তো জানি, তা মহিলাদের ঢোকা নিষেধ হবে কেন? বললো "বুঝলেন না, মহিলাদের তো... ওই যে... মাসিক হয়"। এই বর্বর অসভ‍্য ইতর লোকগুলো ঠিকই জানে একজন মহিলার তিনশ পঁয়ষট্টি দিন মাসিক হয় না। নারীর আবেগ, অনুভুতি, কষ্ট, এমন কি প্রিয়জন হারানোর শোকও এদের কাছে বিদ্রুপের বিষয় মাত্র।


আমাদের সমাজের সভ‍্য মানুষেরা পিরিয়ড নিয়ে নারীবিদ্বেষী ও পশ্চাৎপদ ধারনাগুলো থেকে বেরিয়ে তো এসেছে কিন্তু তারপরও পিরিয়ড প্রসঙ্গটা এখনও যেন লোকসন্মুখে আলোচনার অযোগ‍্যই থেকে গেল, যেন পরোক্ষভাবে একটা লজ্জাজনক বিষয় হিসেবেই চিহ্নিত থেকে গেল। কোন কোন পরিবারে এমনও দেখেছি স‍্যানিটারি প‍্যাডের বিজ্ঞাপনের সময় টিভির চ‍্যানেল পালটে দেয়া হয়। বিশেষ কোন সুবিধা নয়, ম‍্যান্সট্রুয়েশান নিয়ে সচেতন হোক সমাজের সর্বস্তরের নারী ও পুরুষ, প্রয়োজনে ম‍্যান্সট্রুয়েশান নিয়ে যে কোন জায়গায় কথা যেন বলে যে কেউ। প্রবল মাইগ্রেনের ব‍্যাথা নিয়ে যেমন কেউ সাহায‍্য চায়, সহ‍্যের অযোগ্য পিরিয়ড ক্র‍্যাম্প নিয়েও যেন তেমনি চাইতে পারে, স্বাভাবিকভাবে, কোন লজ্জা না পেয়ে, যে কারো কাছেই, হোক পরিবারের সদস‍্য, অফিসের সহকর্মী কিংবা কোন অচেনা ব‍্যাক্তি। বিশেষ করে পিরিয়ড নিয়ে লজ্জা, লুকোচুরি আর অশুচিতার বিশ্বাস পরিবারেই ঘুচুক সবার আগে।






A destination is always a Destination

Smoky vision leads to an illusion of life

Smoky vision leads to an illusion of death

Breathing but not breathing 

Thinking but not thinking 

Chemicals make it faster n keen

A destination is always a Destination 

Blue ceiling turns purple n then black

Chemicals oh chemicals 

Build it all n then destroy it all

A destination is always a Destination 

Human oh human

U r the biggest lie of Ur God

N God is the biggest lie of Urs

Live in a delightful illusion 

Human oh human

U r the biggest lie of Ur Savior

N Savior is the biggest lie of Urs

Die in an immortal illusion 

Chemicals make it faster n keen

A destination is always a Destination 





Friday, June 25, 2021

Poop💩Talk

Couple of years ago one of my friend (m confused though, whether he still holds there) said "...rather think bout ourselves, only, this is so ME n this is so U... what we can say bout life? life is life..." He is not a native, lives across thousads of miles. All I know bout him that he wanted something new, some charm of craziness, profound independence, state of peace, a beginning, skin n bone, may be a little tushy... even a newborn... would he be convinced to remain only a friend? ... um... NAH! 

Motivational speaking has exceeded the fames of preaching for years, though I see vice versa on n on. During my routine  drainy days I do feel hopeful sometimes but most oftenly my inner demons whisper to me to see through eyes n peel some skin. Every good speaker in this world struggles with their own insecurities worthfully. During every performance in my life, on or off script n on or off stage, my knee-heads worked much more. N everytime I asked to myself afterwards what's the meaning of all these? What we think will give a meaning to our life if turns meaningless then whats actually the point of existence?

My mom tried hard to decorate me with her desired props, dialogues, actions n thoughts. Every parent do so willingly or unwillingly... all fall in a systematic superstructure, n so I dont see any practical significant difference by the way.  The fact is that when I find every prop, dialogue, action, thought n even existential  idea disrespectful, vague n meaningless, my mom cries out to dear lord loud for her misery coz she finds  giving birth or motherhood so meaningless n full of suffering. Our parents eventually get desperate to be perfect to sell their built-in idea, in a sense of consevation, I m not against this. But its heartbreaking to lose a loving one behind a priest or an extremist in any way.

Every typical family is somehow eagerly turns into a homogeneous nercissistic venture. Religious value system copes like a pro tool with it. When they say bout  'the bright side' then my little head decodes it 'the light side'... or may be 'the shallow side'. 

M not a nihilist in a whole but human being is a very slow progressing species, I must say, unfortunately. N I m one of the super slow one... keeping wandering n questioning n over thinking n draining my youthful life without even noticing, unambitiously... pointlessly...





Thursday, June 24, 2021

Swelling Glimpses in Darkness

I was watching rain

N but rain

Watching them leaving 

One after another

I was listening rain 

N but rain

Listening them leaving 

One after another 


I always hv had a strong nose

They asked " U smell every little thing!!! Why r U so weird?"

I thought I can even smell a color a word a note a tone a smile a tear a brain a mind a soul a moment a past a future...


I always hv had a poor vision

They got disgusted " Where do U put Ur damn eyes?"

I thought I don't wanna see around up above below under near far inside deep... 

Rather I wanna watch into a void


I always hv had a poor hearing 

They got surprised "R U deaf? How cud U be still alive?"

I thought  I dont wanna hear around up  above below under near far inside deep... 

Rather I wanna hear a silence through n through 


I always hv had a sensitive tongue 

They couldn't help laughing "Grow up! Test some spices. U r not a baby anymore."

I thought I dont wanna test all or everything too sweet too hot too salty too soury too bitter...

Rather I wanna be a monk n live on alms


I always hv had a delicate skin

They started yelling on me " What's the problem with U? We barely touched U!!!"

I thought I dont wanna be touched anymore too sweet too hot too salty too soury too bitter...

Rather I wanna be a wanderer n walk bare foot on n on


I always hv had an acute soul

They mocked even in silence "How could U manage to hold such a labish sadness in Ur soul? Turn around n rise on the bright side, U dumb!

I thought I dont wanna get a flash ever again too bright too alluring too alive too tempting n too lie...

Rather I wanna keep searching the truths  in ginormous piles of darkness 


I m watching rain

N but rain

Watching them leaving 

One after another

I m listening rain 

N but rain

Listening them leaving 

One after another 

n waiting 

n waiting 

n waiting...





She was caught by Humans

All at once she saw him

N called him by his name 

In between 

Skies started falling

One by one...

She got cursed by humans

Days keep passing

One after one...

Everything ends up anyway 

She now thinks calmly on her bed

Everything ends up

Little by little...





English Translation of Bangla Folk Song: Fakir Lalon Shah; চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি; Forever I Nurtured a Mysterious Bird

 Forever I Nurtured a Mysterious Bird Forever I nurtured a mysterious bird, which never discloses its identity. For this grief, my eyes ...