Showing posts with label টুকরো কথা. Show all posts
Showing posts with label টুকরো কথা. Show all posts

Monday, January 4, 2021

টুকরো কথা : অপেক্ষা

আজ ভোরে ঘুম থেকে উঠেই নিজের SexyVoice record করতে চাইলাম। কাল গভীর রাতেও চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু হলোনা। আমি কি তবে আর আগের মতো উরাধুরা নই একেবারেই! ভদ্রটি হয়ে গেলাম না কি? কদিন হলো ভাঁড়ার শুকনো। আর শুকনো মাল এঘরে নিষিদ্ধ অনেক দিন হয়ে গেল। সবুজ চা, সোনালি চা, গোলাপী চা আর দুবেলা ডিটক্স খেয়ে খেয়ে আমার সব দূঃখ যন্ত্রণা কি শেষ পর্যন্ত উবেই গেল? তবে কি "আহা কি আনন্দ" ধরনের গান লিখতে পারবো? আমার পরিবারের বাচ্চাগুলো তবে সত‍্যি খুব খুশি হবে। ওরা আনন্দ করতে চায় নাচতে চায়। ওরা সকাল বিকাল আমার খবর নেয়, কিসি পাঠায়, হৃদয় পাঠায়, কাছে আসতে চায়, ঘুম পাড়াতে চায়, স্নান করাতে, খাওয়াতেও চায়। ওরা জাগিয়ে রাখতে চায় যেন প্রতিদিন। কোনোদিন ওদের ধন‍্যবাদ দিয়েছি কি না মনে পড়ছেনা। আমার Gym Instructor কে একদিন বলেছিলাম "Thank U very much. U know, I thought I couldn't get up again." ভদ্রলোক একটু আবেগপ্রবন হয়ে পড়েছিলেন হয়তো। অতো লোকজন না থাকলে হয়তো জড়িয়ে ধরতেন একবার। দুজন Instructor ই এর আগে আমাকে কয়েকবারই জিজ্ঞেস করেছিলেন আমার WorkoutAim এর ব‍্যাপারে। আমার Ex Colleague রা প্রতিদিন আমাকে বলতো "U r so Beautiful. U look Gorgeous!" মেয়েরা, ছেলেরাও। প্রথমে অবাক হলেও পরে নিজেও ভাবতে শুরু করেছি I m Beautiful. ওরা আমাকে বাইরে কফি খেতে লাঞ্চ করতে নিয়ে যেতো। অফিসের ক‍্যাফেতে একলা গেলে হাসিমুখে সামনে এসে বসতো। Resign দেবার পর একদিন একজন এমনও বলেছিল "আপনাকে প্রতিদিন দেখবো না, এমনটা আমি সত‍্যি বলতে কি ভাবতেই পারছি না"। চাকরি ছাড়ার পর ওরা প্রায় একবছর প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ আমার খবর নিয়েছে। দেখা করতে চেয়েছে। আমি কেন যেন নির্লিপ্ত থেকে গেছি, মনের মধ‍্যে একটা সংকোচ একটা ভয় কাজ করে যেন। এতো ভালবাসার কি আসলেই যোগ‍্য আমি? আমার উচ্চমাধ‍্যমিকের কলেজে ছিল অগুনতি শিক্ষার্থীরা। গ‍্যালারিতে ক্লাস হতো, বেশিরভাগকে চিনতামই না। যেদিন শেষ ক্লাস ছিল কতোজন যে এলো আর ছবি তুললো একসাথে। বলছিল ছবিটা রেখে দেবে সারাজীবন। আমি ওদের মুখগুলো অবাক হয়ে দেখছিলাম, ভেবেছিলাম মনে রেখে দেবো সারাজীবন কিন্তু হারিয়ে ফেলেছিলাম খুব তাড়াতাড়িই। উচ্চমাধ‍্যমিকের পর একটা প্রজেক্টে যোগ দিয়েছিলাম 'সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম' নামে। কাজ ছিল চট্টগ্রাম শহর এবং গ্রামের বিভিন্ন স্কুলগুলোতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পাঠদান তারচেয়েও বেশি ছেলেমেয়েদের সাথে ভাবনার আদানপ্রদান করা। খুব অল্প দিনই কাজটা করেছিলাম। আমার অশান্ত মন এক জায়গায় বেশিদিন থিত হবার ছিল না। একদিন মিমি সুপার মার্কটের একটা রকমারি দোকানে হঠাৎ দেখি একটা আট কি ন বছরের ফ্রক পরা মেয়ে কেমন যেন অভিমান নিয়ে মুখ ভার করে আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আমি কাছে গিয়ে একটু হাসতেই বললো "তুমি যে বলছিলা আবার আসবা, আর তো আসো নাই।" আমার মনে পড়লো সেদিন ছুটির ঘন্টা পড়ে গিয়েছিল, ওদের কথা দিয়েছিলাম আরেকদিন আসবো আর সেদিন ওদের সবার কথা শুনবো। আমি যখন স্কুলটার গেইট পেরিয়ে ফুটপাত ধরে এগোচ্ছিলাম তখনো কয়েকজন আমার পাশে পাশে হাঁপাতে হাঁপাতে উজ্জ্বল চোখ নিয়ে বলছিল "আবার কবে আসবা? তাড়াতাড়ি আইসো...দেরি কইরো না..."

আজকাল আমি খুব ভাবি আবার কবে আসবো? আবার সবার সাথে দেখা হবে? আমার কথা সবাই আবার কবে বুঝবে আর মন খুলে দেবে আবার? এবার ফিরলে সত‍্যি সত‍্যি সব সংকোচ ভুলে বলবো আমি তোমাদেরই মেয়ে, আমি তোমাদের ভালোবাসি।




টুকরো কথা : স্নানকথা

আজ এইমাত্র জল পানি পেলাম, মানে স্নান 🛀 করলাম। আমাদের বাঙালি মুসলিম ঘরে আমরা  বলি গোসল, হায় ভাষারও কতো বর্ণভেদ 🙁। আমার লেখার সময় স্নান লিখতে ভাল লাগে, গান মনে পড়ে 🎶করো স্নান নবধারা জলে🎶। নবধারাই একরকম, হিটারটা প্রতিবার নতুন জল গরম করে। MetroLife জিন্দাবাদ। তুমি আমার BestBuddy না হলে এই এতো রাতে ভাবতে পারতাম? যা বলছিলাম, আজ জল পানি পেলাম, লক্ষী মেয়েটি হলাম (কিংবা সাজলাম🙄)। কয় দিন পর গুনে দেখিনি। তবে আমি এতে আনন্দে নতুন আশায় বুক বেঁধেছি কারন নতুন গবেষণা বলছে তারুন‍্যের রহস‍্য হলো Low Maintenance 😯 এতো দিন পর মনের মতো একটা গবেষণা 😁। গবেষককে এবং তার Absolute Primary  Hypothesis কে আমার HighElbow!

এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমি Scientifically বুঝতে পেরেছি তেলের কতো প্রয়োজন, হায় ত্বক! হায় চুল! তোমরাও এতো তেল ভালবাসো 🤦‍♀️! হায় Seleucus! ব‍্যটা তুই ডায়লগের সময় কই থাকিস? মরুকগে, আজ ভাবছি মাথায় নারকেল তেলও দেবো, অনলাইনে লন্ডন থেকে imported Extra Virgin Coconut Oil। এটা রান্নাতেও ব‍্যবহার করা যায়। একটা শ্রীলংকান চিকেনের পদ বানাবো বানাবো করেও হয়ে উঠছে না অনেকদিন। এই উচ্চমূল‍্য Allrounder নারকেল তেলও দেখছি গরমে গলে যায়, বেশী শীতে জমে যায় আর হালকা শীতে আহাম্মক অপদার্থ প্রেমিকের মতো বুঝে উঠতে পারে না যে জমে যাবে নাকি গলে যাবে। ভেবে দেখলাম শীত বেশ পড়েছে তাই মাথায় তেল লাগাতে খাটনি আছে Boss 😩। সত‍্যি সত‍্যি শেষ পর্যন্ত এতোটাই কুঁড়ে হয়ে গেলাম এই Covid Situation এ! মাথার পেছনে Gym Instructor এর ক্রুর হাসি চিন্তা করে ঘাড় চিনচিন করছে, জানি আমার ভবিষ‍্যত হচ্ছে TABATA আর CircuitTraining 😬। 

আমি দরিদ্র মানুষ, পাশে একটা Seleucus নেই, একটা PS নেই বা একটা অমর বন্ধুও নেই যে প্রসঙ্গ থেকে সরে গেলে কানে কানে জানাবে। বলছিলাম নারকেল তেলের কথা। ছোটবেলায় গ্রাম থেকে দুরকম নারকেল তেল আসতো। একটা রংহীণ (মাথায় দেবার জন‍্য) আরেকটা হলুদ দিয়ে জ্বাল দেয়া (স্নানের পর গায়ে মাখার জন‍্য)। হলুদ  মেশানো নারকেল তেলটা একবার রাখা ছিল সে সময়কার সানসিল্ক এগ শ‍্যাম্পুর বোতলে। হায় কপাল আমাদের সহজ সরল দাদুটাই এর Victim হলো শেষ পর্যন্ত। একদিন ভুল করে বসলো আর ওর সব সাদা চুলগুলো হলদে হয়ে গেল। লজ্জায় শরমে বেচারি যেন মাটিতে মিশে গেল আর আমরা তো ছিলাম ই গড়াগড়ি খাওয়ার জন‍্য। দাদু বেচারি খুব লাজুক ছিল, লজ্জায় বাতের ব‍্যাথার কথাও কাউকে বলতো না। হাত পা ফুলে বলিরেখা মুছে যেতো প্রায় মাঝে মাঝে। অন‍্য কেউ গরম স‍্যাঁক দিয়ে দিলেও সে শরমিন্দা হয়ে থাকতো যেন। জন্ম থেকে শুনেছি দাদুর বয়স একশো👀 বছর। এমন মিষ্টি কুঁজো বুড়ির দেখা পরে শুধু গল্পের বইতেই পেয়েছি। দাদু বলতো "ছোডবউ, অ‍্যামনে কইও না। কালা... গলার মালা!" দাদুর মুখে পানের গন্ধ আমার ভালো লাগতো না কিন্তু ওর কথা শুনতে খুব ভালো লাগতো😁। আরো ভালো লাগতো শুনে "কুঁচ বরন কন‍্যা তাহার মেঘ বরন কেশ"। পরে জেনেছি এখানে বর্ণবাদি কবি শ্বেত বা তপ্তসোনা বর্ণের কুঁচফলের গোটা বুঝিয়েছেন (WTF🤷‍♀️)। তা বোঝাক, এখন আমার মেঘ বরন কেশ পেলেই হবে। তা কালো মেঘ হোক বা সাদা মেঘ, গোধুলির রক্তাভ মেঘ বা ঊষার স্বর্ণাভা মেঘ কিংবা Trendy রংধনু মেঘ। মেঘবরন কেশে বলতে চাই In My Opinion (IMO) I M THIS THIS THIS 😌, I THINK THIS THIS THIS🙃, I BELIEVE THIS THIS THIS🤫, NOT THAT THAT THAT🤮.

সত‍্যি Seleucus! কি বিচিত্র প্রতিটি জগৎ😇! নাহ এভাবে ঠিক পোষাচ্ছেনা। Seleucus মার্কা একটা Robot বা নিদেন পক্ষে একটা Dummy অর্ডার করতেই হবে অনলাইনে। কতো দাম হবে কে জানে 🤔?





Saturday, January 2, 2021

টুকরো কথা : মহার্ঘ মরিচ

আজ সন্ধ‍্যায় বহুদিন পর ফুচকা খেলাম বেইলি রোডের ফুটপাতে। কয় বছর পর কে জানে? কয় টুকরো কাঁচা মরিচ এতো ঝাল ছিল যে প্রায় চিৎকার করতে করতে ফুটপাতেই বসে পড়েছিলাম। তাড়াতাড়ি পানি মুখে ঢেলেও তেমন কোন লাভ হচ্ছিল না। আমি তেমন একটা ঝাল খেতে পারিনা কখনোই। মুখ জ্বলার সাথে সাথে মাথা ঘুরে ওঠে আর চারদিকে  অন্ধকার হয়ে যায়। ঢাকার বাজারে শুধুমাত্র প‍্রচণ্ড ঝাল মরিচই পাওয়া যায়। আমার যেখানে জন্ম এবং বেড়ে ওঠা সেই চট্টগ্রামের বাজারে হরেক রকম মরিচ পাওয়া যায়, লোকজন পছন্দ মতো কিনতে পারে। আমার পছন্দ হলো হাটাজারির (আসলে নাম হলো হাটহাজারি, বহু আগের কোনো ঐতিহাসিক হাজারি যোদ্ধাদের হাট) এক বিশেষ কম ঝাল মরিচ যা মূলত এক জাতের কাশ্মীরি মরিচ, ধারনা করা হয় সুফি সাধকরা সাথে করে নিয়ে এসেছিল অন্তত কয়েকশো বছর আগে। আকারে বেশ বড় মরিচটা গাঢ় সবুজ রঙের, গন্ধটা একটু বুনো কিন্তু মিষ্টি, পাকলে সিঁদুরে লাল রঙের হয়ে যায়। ছোটবেলায় একটা টিয়ে পাখিকে মরিচ খেতে দেখে খুব অবাক হয়েছিলাম পরে নানুভাইয়া বলেছিল লাল রং পাখিদের খুব পছন্দ তাই পাকা মরিচও ওদের খুব পছন্দ, ওরা নাকি ঝাল তেমন একটা বুঝতে পারেনা। পাখিদের সবকিছু কতোটাই না আলাদা! সে যাই হোক, বলছিলাম হাটাজারির মরিচের কথা, চট্টগ্রামের গরুর মাংসের অনবদ‍্য রেসিপির একটি গোপন এবং অপরিহার্য উপাদান হলো এই বিশেষ ধরনের মরিচের গুঁড়ো বা পেস্ট। এই মরিচ রোদে শুকানো হয় তখন এর রং হয়ে যায় গাঢ় লালখয়েরি কিন্তু তারপর পাটায় পিষে নিলে বা গুঁড়ো করে নিলে রং হয় উজ্জ্বল লাল আর যেকোনো তরকারিতে ব‍্যবহার করলেই তার রং হবে টকটকে লাল কিন্তু ঝাল হবে সহনীয় আর এক অদ্ভুত স্বাদ ও গন্ধ হবে, একেকজনের কাছে একেকরকম মনে হতে পারে কিন্তু আমার মনে হয় পৌরাণিক স্বাদ, গন্ধ, রং ও গল্প আছে এই মরিচে। বাবা আর নানুভাইয়া দুজনেই বলতো যেন ইন্দ্রিয়গুলোকে খুব যত্ন এবং মনোযোগের সাথে ব‍্যবহার করি। বই তো সবাই পড়ে আর পড়তেও হবে কিন্তু যদি ইন্দ্রিয় দিয়ে সবকিছু অনুভব করতে না পারি তবে শিক্ষা অপূর্ণই থেকে যায়। এই দুজন পুরুষ, যাদের কাছে আমার মানবতার এবং নারীবাদেরও প্রথম পাঠ, দুজনই ছিল প্রখর অনুভুতিশীল (Empath)। ওদের কথা আলাদা করে আরো অনেক অনেক, হয়তো সারাজীবনই বলতে ও লিখতে চাই। কিন্তু আজ মূলত আমি হাটাজারির মরিচের বর্ণাঢ‍্য ও মহার্ঘ জীবন নিয়ে আপ্লুত। তীব্র রোদ সহ‍্য করে সে নিজেকে প্রস্তুত করে দীর্ঘ‍ এক গৌরবময় জীবনের জন‍্য। তাকে পিষে ফেলি কিংবা চূর্ণ করে ফেলি কিংবা উত্তাপে অন‍্য আর সবকিছুর সাথে মিশিয়ে ফেলতে চাই সে আরো প্রবল ভাবে  নিজের স্বকীয়তা, সৌন্দর্য ও ক্ষমতা নিয়েই অপ্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে ওঠে। মরিচ নিয়ে ভাবতে হবে, আরও গভীরভাবে ভাবতে হবে মনে হচ্ছে।



Thursday, December 31, 2020

টুকরো কথা : বাতি

আজ সন্ধ‍্যায় বেরিয়েছিলাম। বিজয় নগরের বাতির দোকানগুলো সব ঘুরলাম। এতো সুন্দর সুন্দর বাতির মিছিল বাতির ঝাড়। চোখ একদম ধাঁধিয়ে যাবার জোগাড়। টাকা থাকলে হয়তো কেনার কথা ভাবতাম কোন একটা আধুনিক যাদুকরী ঝাড়বাতি। কিংবা হয়তো ভাবতামই না। কিনে লাগাবোটা কোথায়? এতো ঝকঝকে দামি বাতি এই ঘরে বড় বেমানান লাগবে। একটা সময় ভাবতাম যেদিন টাকা হবে অনেক এটা কিনবো ওটা কিনবো। এখন আর ভাবিনা। বরং টাকা না থাকাটা উপভোগ করি কারন ওটা না থাকলেই সব চাহিদার উর্ধ্বে থাকা যায়। বাবার কথা, রুপার কথা মনে পড়ে। ওরা খুব অল্পতে খুশি ছিল। বাবা বলতো "মাগো আমার সব আছে, কেন শুধু শুধু পয়সা নষ্ট করবে? অপচয় করে না মা।" বাবাকে তাও মাঝে মাঝে কিছু ট্রেন্ডি জিনিস কিনে দিতাম। সবাই হাসতো বলতো আমি নাকি পাগল এসব বাবা কোনোদিন পরবে না। কিন্তু বাবা ঠিক পরতো আর মিটমিট হাসতো। সবাই তখন অবাক হয়ে ভাবতো এই ষাটোর্ধো জীর্ণশীর্ণ প্রচন্ড অসুস্থ লোকটা যেকোনো পোশাকই এতো ভালো carry করে কি করে। বাবা ছিল একটা RealDude, সে যখন খুব অভাবে ছিল প্রথমজীবনে তখনও আর যখন আমি ওকে সাজাতে পেরেছি তখনও। সারাজীবন। এতো আলো ছিল তোমার বাবা... এতো আলো! তোমার চারদিকে কি অলৌকিক আলো ছড়িয়ে থাকতো। এখনো থাকে, যখন তুমি আমাকে ঘুমের ভেতর দেখা দিয়ে যাও, সাহায‍্য করতে আসো।

ছোট ছোট কিছু বাতি কিনেছি নীল আর সাদা। গানের ঘরে নীল আর কালো দেয়ালগুলোতে লাগাবো। কিছু নীল গান বানাতে চাই। কয়েকটা কালো আর কয়েকটা অন‍্য রঙেরও। কিংবা পরতে পরতে কয়েক রঙা ছবির মতো কিছু দুঃখের কিংবা আনন্দের গান। আগে থেকে বলাটা মুশকিল। শেষে সবকিছুর কেমন একটা অন‍্য মানে যেন দাঁড়ায়। বাবা মনে আছে তুমি বলতে "মাগো, তুমি আমার ছেলের চেয়ে বেশি। এমন মেয়ে পেলে ছেলের কি দরকার?" সময় সমাজ প্রতিমূহুর্তে আমায় আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে  ছুঁড়ে দিয়ে সারাজীবন জানাতে চেয়েছে আমার সত‍্যিকারের অবস্থানটা কোথায়। মুখ থুবড়ে শুধু পড়ে থেকেছি আবর্জনায় অন্ধকারে। প্রতিবার তুমিই শুধু হাতে একটা বাতি নিয়ে আমার কাছে আসো। যখন বেঁচে ছিলে তখনও আর এখনও। 

শোয়া থেকে উঠতে ইচ্ছে করেনা। তার চেয়েও মনে হয় যেন পারি না। তাও আরেকবার চেষ্টা করবো। বারবার করবো। শুধু নীল বাতিগুলোয় চলবে না। তুমিতো আছো বাবা। আলো অন্ধকারে সারাজীবন আছো। জানি আমি।

https://soundcloud.com/krisbowers/hope?ref=clipboard&p=a&c=0



Tuesday, December 29, 2020

বারান্দায় ক‍্যান্সার

গাছেরা মন খারাপ করে, কখনো কখনো আত্মহত‍্যাও করে। আজকাল বড় ক্লান্ত লাগে, সারাদিন শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে, শুয়ে থাকিও। ওরা চায় আমি ওদের সকাল সন্ধ‍্যা গান শোনাই, কথা দিয়েছিলাম, রাখতে পারিনি। রাতে ঘুমের মধ‍্যে মাঝে মাঝে যেন নিঃশ্বাস আঁটকে যায়। শুনতে পাই গাছগুলো ঘুমের মধ‍্যেই কেঁদে উঠছে। ওরা ভয়ে ভয়ে থাকে আমাকে নিয়ে। ওরা খাওয়াদাওয়াও বন্ধ করে দেয় মাঝেমাঝে। আমি ওদের কতো বোঝাই, ঠিক যেমন বাবা বোঝাতো বহুদিন আগে। খুব রাগ হয় আজকাল। কিছু করার নেই। যদি ছেড়ে যেতে চায় ওরা, যদি কোনোদিন আমার না হতে চায়, তবে তাই হোক। হাতের বাইরে চলে যাবার আগে জসীমকে বলি কোন একটা উদ‍্যানে কিংবা অন্তত নিচে মাটিতে ওদের নতুন ঘর গড়ে দিতে। ওরা চলে যায় আমি ধীরে ধীরে একদিন ওদের চেহারা গন্ধ সব ভুলে যাই। গাছগুলো ভয়ে ভয়ে দিন কাটায়। বকাঝকা শুনলে ভীষণ অসহায় হয়ে পড়ে। আর এতো অভিমান করে। সেদিন টব বদলে দেবার সময় একটাকে দেখিয়ে বলেছিলাম "এটাকে অন‍্য একটা সাধারন টবে দেব, সুন্দর টবটার জন‍্য ভাল একটা দামী গাছ কিনে আনবো।" জসীমও সায় দিল "ঠিক বলছেন ম‍্যাডাম। তাইলে বালো অইবো।" এইসব শুনে এতো রাগ করলো গাছটা, এতো খাবার দিলাম, পানি দিলাম, এতো রকম করে বোঝালাম, তবু মরে গেল। চার বছর আমার কাছেই ছিল গাছটা, সবুজ, সতেজ, মাঝে মাঝে পানি দিতে ভুলে গেলেও ক্ষমা করে দিতো। 

আজকাল বুকে ব‍্যাথা করে, ওদেরও বুকে ব‍্যাথা করে আমি জানি। শত ভাবলেও শুধু কষ্টের গানগুলোই মনে পড়ে আর কষ্টের গানগুলো শুনতেই ইচ্ছে করে। তেমন রোদ ওঠেনা অনেকদিন। টানা মেঘ আর কুয়াশায় ওরা বিমর্ষ হয়ে পড়তে থাকে আরও। ফুল ফুটিয়ে যায় কিন্তু তবু কি এক গাঢ় বিমর্ষতাই ছেয়ে থাকে বারান্দায়। একটা গোলাপ গাছে ক‍্যান্সার। বেশ কয়েকবার ছেটে দিয়েছিলাম কিন্তু লাভ হচ্ছেনা। কিছুদিন ভাল থাকে, নতুন পাতাও গজায় তারপর আবার ক‍্যান্সারটা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আজকাল আর ছাটিনা। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি আর হিসেব করতে চেষ্টা করি পুরোপুরি মরে যেতে আর কতোদিন লাগতে পারে। বুঝি এতোদিনে আমিও  নিষ্ঠুর হতে শিখে গেছি।

Sunday, December 27, 2020

🖤 প্রিয়তম ঘৃণা 🖤

হায় ঘৃণা !

হায়

এখনো এই নিঃশ্বাসে তিক্ত হয় পৃথিবীর বুক !

হায় ঘৃণা !

হায়


আর কতো হারাবো?

আর কতো হেরে যাবো?


সময়কে হারিয়ে  নিজেকেও হারিয়ে দিন গুনি অন্তিমের

সততার নীল পথ শুরু হয় আর থেমে যায় পরাজয়ে প্রতিবার


প্রতিদিন ক্ষয়ে যাই

প্রতিদিন মরে যাই


আর কতোখানি ক্ষয়ে গেলে পাওয়া যায় হৃদয়ের শুদ্ধতা?

আরও কতোবার মরে গেলে দেখা হয় ঘৃণার উল্টোপাশে?


হায় ঘৃণা !

হায়

শীতের রাতে তুমিই থাক জড়িয়ে চির আদরের ওম

হায় ঘৃণা !

হায়

হায় প্রিয়তম ঘৃণা !!

🖤






Thursday, December 24, 2020

টুকরো কথা : উইশলিস্ট

খুব ছোট ছোট আর খুব বড় বড় অনেকগুলো ইচ্ছে

মিসকল দিলে চশমা, চাবি এইসব খুঁজে পাওয়া যাবে

পাসওয়ার্ড ভুলবো না

সারা বছর শীতকাল থাকবে

বিছানা আর আলমারি সবসময় পরিপাটি থাকবে

সাজগোজ করতে শুধু পাঁচ কি দশ মিনিট লাগবে

ঘরের প্রতি কোণে রোদ পাবো জোছনাও পাবো

গাছগুলো কখনোই মন খারাপ করবেনা

প্রিয়তম পুরুষ আহাম্মক হবেনা

বাবাকে দেখবো সুস্থভাবে বেঁচে আছে

বন্ধুরা বন্ধুই থাকবে

বোনটা একদিন একলা একলা বাঁচতে শিখবে

বাচ্চারা আর কোনো প্রতিযোগিতা করবেনা

রাস্তাগুলো মসৃন হবে ভীড় থাকবেনা

লোকজন দুমুঠো খাবারের জন‍্য এতো ফন্দি করবেনা

প্রতিটি উৎসবে ছেলেবুড়ো সব দলবেঁধে নাচবে

মাথার চুলগুলো ছেলেবেলার মত সতেজ থাকবে

রমনায় এতো রোগীরা ভীড় করবেনা

পাপীরা পাপ স্বীকার অন্তত করবে

যৌথ খামার হবে

বনের ধারে সুন্দর একটা কুটির থাকবে শুধু আমার

সাউন্ডট্র‍্যাক অটো এডিট হবে

তারগুলো এতো বেয়াড়াভাবে প‍্যাঁচাবে না

মনের কথা ও সুর স্কোর করবে এমন একটা অ‍্যাপ হবে

বাতিরা আমার মন বুঝেবুঝে জ্বলবে নিভবে আর রঙ বদলাবে

নিজের গান নিজের লেখা নিজেই ভালবাসতে পারবো

একটা বন্ধু থাকবে যে অনেক গান গেয়ে শোনাবে

নানীর সিক্রেট রেসিপিগুলো উদ্ধার করতে পারবো

নানার মতো একটা ফ‍্যান পাব

দাদীর মত আরেকটা সরল মানুষ পাব

দাদার মতো গাছ লাগাবো

সবাই একবার হলেও সাম‍্যের কথা বলবে

বোরখা সারা পৃথিবীতে ব‍্যান হবে

একটা অন্তত মনের মত সংগীত বানাবো

কক্সবাজার সৈকতে সারারাত একলা বসে থাকবো

বানরের মতো পাহাড়ে চড়তে পারবো

পার্টি ও গেটটুগেদারগুলো আমার পিরিওডের সময় হবেনা

লোকে সর‍ি বলবেনা বরং কিছুক্ষণ বুকে জড়িয়ে রাখবে 

যতো ইচ্ছে বৃষ্টিতে ভিজতে পারবো

ঝড়ের সময় এতো ধুলো উড়বেনা

না জেনেবুঝে কেউ মন্তব‍্য করবেনা

ভুল হোক ঠিক হোক শুধু নিজের চোখ দিয়েই দেখবে

আমার জীবনাদর্শ শুনে কারো খারাপ লাগবেনা

পাখিরা ভয় পেয়ে পালাবে না

শিল্পীরা স্বপ্নচ‍্যুত হবেনা

ভ‍্যামপায়ারদের মেটাল কনসার্টে যাবো

ভাঁড়ার কখনো শুকনো হবেনা

একটা বাদামি নেড়ি পুষবো ঘরে

আত্মারা চিঠি লিখবে আমাকে

মার্ক রনসন আমার জন‍্য একটা গান বানাবে

নিজের আর বন্ধুদের কিছু ছবি দেয়ালে টাঙাবো

একদিন পারফেক্ট পিৎজা বানাবো

প্রিয় মানুষের মনের কথা শুনতে পাবো

আর চাইলেই মরে যেতে পারবো



Monday, December 21, 2020

টুকরো কথা : অসাড়

যেদিন আমি ভালবেসে সব হারিয়েছিলাম

সেদিন তুমি আমার মুখে ছুঁড়ে দিয়েছিলে একদলা থুতু

আজ আমার সংকোচহীন উদ্ধত লাম্পট‍্য নিয়ে তোমার কি ফতোয়া

তা আসলে ভেবে দেখিনি



Sunday, December 20, 2020

টুকরো কথা : নির্বন্ধুতা

তুমি যেদিন এক শীতের রাতের আচমকা তুমুল বৃষ্টিতে খুব ভিজেছিলে তোমার লাল টকটকে চোখদুটোর দিকে তাকিয়ে আমি কোনো প্রশ্ন তো করিনি, শুধু বহু দূরে আছো জেনেও ঠিক তোমার পাশেই বসে ছিলাম।

বাতিঘরের পথে যেদিন তুমি আমার আত্মার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলে আর তাকে অপমানে ক্ষতবিক্ষত করেছিলে সেদিন তোমাকে তো বুঝতেও দিইনি যে এই ক্ষতটাকে বয়ে নিয়ে যাব আজীবন।

তোমার কামনা বাসনার চাইতে আমাদের বন্ধুত্বটা অনেক বেশি দামী ছিল



Saturday, December 19, 2020

লেখকের মনস্তত্ত্ব

অপরাধ ও শাস্তি

দেখুন শুনুন ভাবুন বলুন

শুধু গল্প

লিখুন পড়ুন

পাপ পাপী অনুশোচনা



Wednesday, December 16, 2020

টুকরো কথা : ক্ষণিকা

খুব কাছের মানুষরাই হয়তো জানে আটপৌরে আমাকে। যাকে নিয়ে বড় ভয়ে বড় দ্বিধায় থাকি প্রায়শই। যে স্নান করে তিন দিনে একবার (অন্তত শীতের দিনে), একদিন মুখ ধোয় তো আর দিন নয়, শুষ্ক রুক্ষ চুল ছিঁড়ে যাবে ভেবে আঁচড়াতেও ভয় পায়। জলপানি বিনা সে মোটেও লক্ষী মেয়েটি নয়। এই মারীর একলা দিনে আয়েসে থাকে এই চির আটপৌরে আমি। জানলা দিয়ে দেখি বাইরের পৃথিবী যতদূর চোখ যায়। উজ্জ্বল সূর্য অকৃপণ আলো করে এই সবুজ মুখ, নিদাগ নিটুট নয় ঠিক এই হৃদয়ের মত শুধু একমুঠো পবিত্র চেতনাই সম্বল। ভালবাসি এই স্থবির দুপুর, বিনা কারনে বসে থাকা। ভালবাসি এ শুষ্ক চুলরাশি, কতবার অভিমানে তাকে নিষ্ঠুরতম বিদায় দিয়েছি তবু সে নতুন হয়ে ফিরেছে বারেবারে আর হয়েছে আমার নতুন নতুন সংগ্রামের সঙ্গী।

আজ এই বিজয়ের দিন। সব সংকট ম্লান করে চারিদিকে বাজে চেতনার শব্দ সুর। আরও একবার জানায় কত ক্ষরণ কত মূল‍্য দিয়ে কিনতে হয় মুক্তি। আর কত অল্পে বেঁচে থাকে মহান স্বত্তা। 

এই দুপুরে শ্বব্দ সুরও থেমে গেছে ক্ষনিকের জন‍্য। তবু কি নিদারুণ উষ্ণতা জড়িয়ে আছে ত্বকে। মাথার ভেতর অদ্ভুত এক বোধ ই কাজ করে আর বলে আমার মুক্তির বারতা যে আছে ওই চিরন্তন শব্দ ও সংগীতে।



Friday, December 11, 2020

GoodByeSong

I M not reVeNGeful my dear

But

I DO sEE the ReDeYes of TIME

n its TaiL of PoiSoN












GoodBye for aWHiLe

Monday, December 7, 2020

ঘরে ঘরে আছেন যত অস্বীকৃত আলেমগণ, যাঁরা কোনোদিন মাদ্রাসায় পড়েন নাই বলে নিজেদের আধুনিক মনে করেন তাঁদের বলি আপনারা গরীব মাদ্রাসার ছাত্রগুলো চাইতেও অধম। ওই বেচারাদেরতো নিয়ত মগজ ধোলাই চলে আর এতিম হলে তো কোনো কথাই নেই। এই বাংলাদেশে এতিম বা পরিত‍্যাক্ত সন্তান  হওয়া মানেই হল মাদ্রাসায় লোকের দয়ায় খেতে হবে, দ্বীনের নামে কুশিক্ষা পেতে হবে, শিক্ষক ও অগ্রজদের ফরমায়েশ খাটতে হবে, তাদের বিকৃত যৌনক্ষুধা মেটাতে হবে আর কখনো অস্তিত্বের লড়াইয়ে টেকার জন‍্য জঙ্গি প্রশিক্ষণও নিতে হবে। আর আপনারা যারা ভদ্রলোক ও ভদ্রমহিলা, আপনারা তো বেহেশতে বুকিং দিয়ে যান মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানায় অর্থ দানের বিনিময়ে। আপনাদের বড়ই হিসেবি মন। ঘুষ খাবেন, চুরি করবেন, ডাকাতি করবেন, অন‍্যের হক মারবেন, লোক ঠকাবেন, যেখানে যেমন সুবিধা লেবাস পল্টাবেন, সকালে এক বিকেলে আরেক কথা বলবেন আর মসজিদ মাদ্রাসায় টাকা ঢালবেন। নামায পড়ে কপালে দাগ করে ফেলবেন (ওটা থাকলে সমাজে বেশ সম্মান পাওয়া যায়), চিৎকার করে কোরান পড়বেন দুইবেলা (লোকে যেন শুনতে পায়), নিয়ম করে বছর জুড়ে রোযা রাখবেন (এতেও খুব সম্মান বাড়ে), ঢাকঢোল পিটিয়ে উৎসব করে পশু হত‍্যা করবেন, যাকাত সদকা বিলোবেন। মহিলারা সেই সাথে হিজাবী হবেন যেনো দূটো প্রশংসা পেতে পারেন যেনো পুরুষেরা আশ্বস্ত থাকে যে আপনারা যথেষ্ট দূর্বল। চিন্তা কি? যদি মনে হয় কোনো অপরাধ করে ফেলেছেন কারো প্রতি তবে আল্লার কাছে মাফ চেয়ে নেবেন। তাঁর এমন তাঁবেদারের কথা তিনি নিশ্চয় বেলতে পারবেন না। তাতেও না হলে তাঁর প‍্যাঁচে তাঁকেই ফেলবেন, দুই কাঁধে দুই একাউন্টেন্ট তো আছেই। 

আপনারাই তো গালি দেন "শালার মালাউন" বলে, আপনারাই বলেন "নাস্তিকদের বাঁচার অধিকার নেই"। আপনাদের স্ত্রীদের পায়ের তলায় রাখার জন‍্য আপনারাই সব শরীয়াপ্রেমী। আর ভদ্রমহিলারা, দ্বীনের ঝান্ডা ধরে আপনারাই অন‍্য নারীকে বিবস্ত্র করে অস্তিত্বের সুখ পান। রগরগে ওয়াজ মাহফিলে শুধু যানই না সেগুলোর অডিও-ভিডিও সব আপনাদের জনপ্রিয় তালিকায় যত্নে থাকে। আপনারাই সন্তানদের বঞ্চিত করেন শিল্প থেকে, শৈশব থেকে। ওদের শেখান সংগীত হারাম, নৃত্য হারাম, সাহিত‍্য হারাম, প্রাণী ও মানুষ আঁকা হারাম, মেয়েদের খেলাধুলা হারাম। আপনাদের চোখে কন‍্যা শিশুরা হয়ে যায় ছিল্লা কলা। নিজেদের কন‍্যা সন্তানদের ব‍্যাপারে আপনারা প্রত‍্যেকেই একেকজন তেঁতুল হুজুর। 

কি চাই আপনাদের? ওই চিরযৌবনা চিরযৌনতার বেহেশত তো? এতো লোভ...এতো লোভ... এতো লোভ আপনাদের যে ওই বেহেশত পাবার আশায় এত মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিতে, পুরো পৃথিবীকে দোযখ বানাতে আপনাদের এতটুকু বিবেকে বাধে না।

Saturday, November 28, 2020

Memories: Enchanting Love

I can't remember so much of my early school days. I started at the middle of a year and was only three years old. Some how Baba managed kind of day care for me I think, may be he had no other option then for some reasons. He was the president of the school committee and was very respected in the community. He and his fellows worked hard to form that three storied school for underprivileged children with large play ground and a  beautiful natural water body of its own. The notion was to earn money from fish cultivation so that the school can run smoothly. And most importantly for ensuring the quality of education Baba and some of his friends and colleagues promised and sent their children to that school. I and all of my siblings started our schooling there. 

However, its very difficult for me to recall most of the memories. Being the third kid in family and having number of friends of different ages in neighborhood, I was quite smart at that age but all I used to do in class was "CRYING", enough to screw up a class's whole discipline. Our teacher, I remember her name "Hasnahena Apa", she used to comfort me on her lap and continue the class. I can't remeber her face at all. I only can remember her sari, may be a light pink floral printed sari, and a very affectionate, soft floral smell of her, may be jasmine or some other flower... I dont know... I used to feel sheltered with her and stop crying and start watching that sari... attendance register, chalk, duster... and felt safe and motivated with that loving touch... that smell... aaha...

We really don't know where love is waiting to embrace us!!!



Wednesday, June 26, 2019

Back to the city

Back to the city again
The city that never understood me
The city that never healed my wounds
Where I lost my love and screamed
But I come back again and again
And I look at strangely
Through the warm vision of Alkananda...


English Translation of Bangla Folk Song: Fakir Lalon Shah; চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি; Forever I Nurtured a Mysterious Bird

 Forever I Nurtured a Mysterious Bird Forever I nurtured a mysterious bird, which never discloses its identity. For this grief, my eyes ...