Sunday, December 20, 2020

অভিশাপ

একজন অভিশাপ দিয়েছিল

আমি নাকি একা হব একদিন

একটা বিষাক্ত ক‍্যাকটাসের মতো একা

একটা কুৎসিত ডাইনির মতো একা



Saturday, December 19, 2020

লেখকের মনস্তত্ত্ব

অপরাধ ও শাস্তি

দেখুন শুনুন ভাবুন বলুন

শুধু গল্প

লিখুন পড়ুন

পাপ পাপী অনুশোচনা



Thursday, December 17, 2020

মায়াজাল | Magic

আমি যাকে ভালবাসি ক্ষণকাল 

সে যদি বাঁচে তোমার কামনায়

এ নয় অপরাধ

আমারই চোখ নিয়ে দেখেছো তুমি তাকে 

রাস্তায় বাজারে দোকানে

তাকেই খোঁজো তুমি চিরকাল

এ নয় অপরাধ

অজান্তেই বুনে যাই আমি

সর্বনাশা শব্দের মায়াজাল


The man I loved for a while

If he is alive in your desire

Its not a sin

You saw him with my eyes

On the road in the bazaar or shops

You search for him day and night

Its not a sin

With an absent mind I lace them on

Deadly magic of words



গল্প : এক : অবতার

বহু বছর আগে আমার তৎকালীন CRUSH এর সাথে প্রেম হয়ে যায় আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুটির। বলা বাহুল‍্য একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে আমার অতীত এবং বর্তমানে বেশকিছু অস্থায়ী এবং স্থায়ী CRUSH ছিলেন এবং আছেনও। তা যাই হোক, ওদের ঘনিয়ে ওঠা প্রেমের ব‍্যাপারে জানতে পেরে প্রথমে খুব কষ্ট পেলেও পরে ভালই লেগেছিল কারন আমার পাগলী বন্ধুটার একজন প্রেমিক সেইসময় প্রয়োজন ছিল আমার চেয়েও অনেক বেশি। শুধু একটাই আক্ষেপ ছিল যে আমার বন্ধুটা আর আমার জন‍্য সময়ই পেতোনা ঠিক করে। কিন্তু ধাক্কা খেয়েছিলাম যেদিন ও প্রথম আমাকে জানালো ওর সম্পর্কের কথা। আমি যখন ওকে প্রতিক্রিয়ায় জানালাম যে ব‍্যাপারটা বেশ ভালই হয়েছে তখন ও যেন খুব চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল আর কেমন হতাশা নিয়েই বলেছিল "তোকে ঠকানো খুব কঠিন"। আমার সেদিন কিছুক্ষণ যেন মনে হলো পৃথিবীটা কাঁপছে আর এই ধ্বংস হতে চলা ছোট্ট পৃথিবীতে শেষবার ছুঁয়ে দেবার মতো কেউ নেই পাশে। আমার বয়স তখন মাত্র পনেরো কি ষোল  তাই হয়তো খুব বেশীই আবেগপ্রবণ ছিলাম। নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে সেদিন ওকে শুধু বলেছিলাম "হ‍্যাঁ। তা হবে হয়তো। কারন আমি সবক্ষেত্রে ঠকার চিন্তা করি না।" সেদিন ছিল ওর সাথে আমার শেষ আত্মিক আলাপচারিতা। আরও বহুদিন আমাদের দেখা হতো ঘোরা হতো আড্ডায় গানে দুষ্টুমিতে মেতে উঠতাম আমরা কিন্তু বুঝতাম সেই পুরোনো প্রাণ আর নেই কোথাও। তারপর সে চলে গেলো অন‍্য দেশে উচ্চশিক্ষা নিতে। পার হলো আরও কিছুদিন। সেই অচেনা শহরের একলা জীবন, পরিবার, সামাজিক দিক থেকে প্রবল অসম সম্পর্ক (খুবই অদ্ভুত ব‍্যাপার হলো যে এর গড়ে ওঠার কারিগর হিসেবে ওর মা আমাকেই দায়ী করেন আজও) আর নিজের অবহেলিত ইচ্ছেগুলোর টানাপোড়েনের মাঝে একদিন হঠাৎ সে আমাকে লিখলো এক চিঠি। আমি খুব অবাক হলাম কারন চিঠি লেখার রীতি  শেষ হয়েছে আরও বহু আগেই আর আমাদের প্রজন্ম এর জন‍্য কম ভৎসনা তো পায় না। চিঠির উত্তর চিঠিতেই দিয়েছিলাম, শুধু বোঝাতে চেয়েছিলাম সে যেন শোনে শুধু নিজের মনের কথাই। একজন বন্ধু হিসেবে এর চেয়ে ভালো উপদেশ (তারচেয়েও বেশি হল 'মতামত') আর আমার মাথায় তখন আসে নি। এর কিছুদিন পর তার প্রেমিকটি আমাকে জানালো যে তাদের সম্পর্কটি ভাঙ্গার পথে আর অত‍্যন্ত বিদ্বেষপ্রসূত হয়ে জিজ্ঞেস করলো যে আমি তাকে (আমার বন্ধুকে) চিঠিতে কি এমন লিখেছিলাম। আমি উত্তর দিয়েছিলাম যে ওই চিঠিটা আমাদের অত‍্যন্ত ব‍্যাক্তিগত তবে আমার বন্ধু যদি তার প্রেমিককে চিঠিটা পড়তে দেয় আমার তাতে কোনো আপত্তি নেই। জানিনা ভুল করে হলেও ছেলেটি ঠিক কতোটা ঘৃণা করেছিল সেদিন আমাকে। ওই বন্ধুর প্রেমিক কিংবা বন্ধুর মায়ের ভুলগুলো ভাঙ্গাবার বেগ যৌক্তিকভাবেই কোনোদিন বোধ করিনি। আপনি হয়তো ভাবছেন যে এখন কেন বলছি এতোসব তবে? আমার লেখা পড়ে এখন যদি তারা সব জানতে পারে? তা হতেই পারে হয়তো তবে মূল বিচার্য বিষয়টি হলো এখানে আমি গল্প বলতে এসেছি মাত্র তার বেশী কিছু নয় বা তার বেশী কিছু ভাবাটাকে আপাতত গুরুত্ব দিচ্ছিনা। গল্প বলাটাই হলো এখানে মূখ‍্য বিষয়। আপনি আমাকে স্বার্থপর ভাবতে পারেন বা আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেও পারেন এই বলে যে কেনো আমি কেনো কোনো একটা গল্প বানিয়ে বলছি না, সৃষ্টিশীলদের তো তাই করা উচিত এবং কেন আমি শুধু নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাই শুধু ভাগ করে নিতে চাই এবং এই কাজটি করতে গিয়ে অন‍্যদের ব‍্যক্তিগত বিষয়গুলো কি সামনে নিয়ে আসছি না? এর উত্তরে বলি ভালো করে পড়ে দেখুন আমি কিন্তু ওপরের তিনজন চরিত্রের কাউকেই  দোষারোপ করছি না আর গল্পের নাম করে সত‍্যিকারের চরিত্রদেরই টেনে এনেছি এবং বাস্তব ঘটনাই বলছি এমন নিশ্চয়তাও কিন্তু দিচ্ছিনা। আর তাছাড়া একটু ভেবে দেখুন তো আমরা প্রত‍্যেকেই যে অভিজ্ঞতার মধ‍্য দিয়ে জীবন পার করি আর অন‍্যদের বলে বেড়াই তার প্রতিটিই কি কমবেশি একেকটি বানানো গল্প নয়? আর তাই বলেই আমদের সমস্ত জীবন পার করি সমানুভুতিসম্পন্ন মানুষদের খোঁজে যাদের করুনাধারায় বিষ্ণু কিংবা বুদ্ধ কিংবা যিশু কিংবা  মোহাম্মদ কিংবা স্বয়ং নিজেরই অবতার খুঁজে পাবো আর আমাদের প্রতিটি আত্মা সেই আয়নায় নিজের নিষ্পাপ চেহারাটির অপরুপ সৌন্দর্য দেখতে দেখতে তার চুড়ান্ত শান্তি খুঁজে পাবে, বলুন এমনটাই কি না? আমি জানি আপনি এখনো তৃপ্ত নন বরং আমার উত্তরগুলোকে হয়তো নেহাত কোনো দুষ্টের ছলনাময় মায়াজাল কিংবা কোনো গভীর দুরভিসন্ধি ভেবে ক্ষেপে গিয়ে থাকতেও পারেন। আমি আপনাকে আপাতত শান্ত হতেই বলতে পারি। এই অনুগ্রহটুকুই এখন আমার আকাঙ্খিত কারন আমি গল্প বলতে চাই আর লক্ষ্যের বাইরে যাবার ইচ্ছে আমার এখন একেবারেই নেই। 

(ক্রমশ...)



Wednesday, December 16, 2020

টুকরো কথা : ক্ষণিকা

খুব কাছের মানুষরাই হয়তো জানে আটপৌরে আমাকে। যাকে নিয়ে বড় ভয়ে বড় দ্বিধায় থাকি প্রায়শই। যে স্নান করে তিন দিনে একবার (অন্তত শীতের দিনে), একদিন মুখ ধোয় তো আর দিন নয়, শুষ্ক রুক্ষ চুল ছিঁড়ে যাবে ভেবে আঁচড়াতেও ভয় পায়। জলপানি বিনা সে মোটেও লক্ষী মেয়েটি নয়। এই মারীর একলা দিনে আয়েসে থাকে এই চির আটপৌরে আমি। জানলা দিয়ে দেখি বাইরের পৃথিবী যতদূর চোখ যায়। উজ্জ্বল সূর্য অকৃপণ আলো করে এই সবুজ মুখ, নিদাগ নিটুট নয় ঠিক এই হৃদয়ের মত শুধু একমুঠো পবিত্র চেতনাই সম্বল। ভালবাসি এই স্থবির দুপুর, বিনা কারনে বসে থাকা। ভালবাসি এ শুষ্ক চুলরাশি, কতবার অভিমানে তাকে নিষ্ঠুরতম বিদায় দিয়েছি তবু সে নতুন হয়ে ফিরেছে বারেবারে আর হয়েছে আমার নতুন নতুন সংগ্রামের সঙ্গী।

আজ এই বিজয়ের দিন। সব সংকট ম্লান করে চারিদিকে বাজে চেতনার শব্দ সুর। আরও একবার জানায় কত ক্ষরণ কত মূল‍্য দিয়ে কিনতে হয় মুক্তি। আর কত অল্পে বেঁচে থাকে মহান স্বত্তা। 

এই দুপুরে শ্বব্দ সুরও থেমে গেছে ক্ষনিকের জন‍্য। তবু কি নিদারুণ উষ্ণতা জড়িয়ে আছে ত্বকে। মাথার ভেতর অদ্ভুত এক বোধ ই কাজ করে আর বলে আমার মুক্তির বারতা যে আছে ওই চিরন্তন শব্দ ও সংগীতে।



Saturday, December 12, 2020

KOLOSSOS

Don't ask how does it feel like

Don't try to perceive

My heart was broken 

When the only thing I had was my heartbeat

I was abandoned 

When I didn't even know about my existence


Sometimes truth is beyond perceptions

Don't make it up




Friday, December 11, 2020

GoodByeSong

I M not reVeNGeful my dear

But

I DO sEE the ReDeYes of TIME

n its TaiL of PoiSoN












GoodBye for aWHiLe

Tuesday, December 8, 2020

Baby Winter

When you withdraw yourself from the sunshine

I walk through the smell of winter

My hairs go crazy and dry in the baby winter breaths

I love it like a kid still

I need warmth

I need softness

I need fun

I need dancing flames

Still like a kid

I see you

I feel you

Drying out

I need to keep you warm

I need to keep you soft

I need to give you fun

I need to take you near the dancing flames

Winter has come again

Alone

But we do accompany her and celebrate life

Wait a while

Let her grow

Winter will bring us Spring

We all will become beautiful Butterflies

Monday, December 7, 2020

ঘরে ঘরে আছেন যত অস্বীকৃত আলেমগণ, যাঁরা কোনোদিন মাদ্রাসায় পড়েন নাই বলে নিজেদের আধুনিক মনে করেন তাঁদের বলি আপনারা গরীব মাদ্রাসার ছাত্রগুলো চাইতেও অধম। ওই বেচারাদেরতো নিয়ত মগজ ধোলাই চলে আর এতিম হলে তো কোনো কথাই নেই। এই বাংলাদেশে এতিম বা পরিত‍্যাক্ত সন্তান  হওয়া মানেই হল মাদ্রাসায় লোকের দয়ায় খেতে হবে, দ্বীনের নামে কুশিক্ষা পেতে হবে, শিক্ষক ও অগ্রজদের ফরমায়েশ খাটতে হবে, তাদের বিকৃত যৌনক্ষুধা মেটাতে হবে আর কখনো অস্তিত্বের লড়াইয়ে টেকার জন‍্য জঙ্গি প্রশিক্ষণও নিতে হবে। আর আপনারা যারা ভদ্রলোক ও ভদ্রমহিলা, আপনারা তো বেহেশতে বুকিং দিয়ে যান মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানায় অর্থ দানের বিনিময়ে। আপনাদের বড়ই হিসেবি মন। ঘুষ খাবেন, চুরি করবেন, ডাকাতি করবেন, অন‍্যের হক মারবেন, লোক ঠকাবেন, যেখানে যেমন সুবিধা লেবাস পল্টাবেন, সকালে এক বিকেলে আরেক কথা বলবেন আর মসজিদ মাদ্রাসায় টাকা ঢালবেন। নামায পড়ে কপালে দাগ করে ফেলবেন (ওটা থাকলে সমাজে বেশ সম্মান পাওয়া যায়), চিৎকার করে কোরান পড়বেন দুইবেলা (লোকে যেন শুনতে পায়), নিয়ম করে বছর জুড়ে রোযা রাখবেন (এতেও খুব সম্মান বাড়ে), ঢাকঢোল পিটিয়ে উৎসব করে পশু হত‍্যা করবেন, যাকাত সদকা বিলোবেন। মহিলারা সেই সাথে হিজাবী হবেন যেনো দূটো প্রশংসা পেতে পারেন যেনো পুরুষেরা আশ্বস্ত থাকে যে আপনারা যথেষ্ট দূর্বল। চিন্তা কি? যদি মনে হয় কোনো অপরাধ করে ফেলেছেন কারো প্রতি তবে আল্লার কাছে মাফ চেয়ে নেবেন। তাঁর এমন তাঁবেদারের কথা তিনি নিশ্চয় বেলতে পারবেন না। তাতেও না হলে তাঁর প‍্যাঁচে তাঁকেই ফেলবেন, দুই কাঁধে দুই একাউন্টেন্ট তো আছেই। 

আপনারাই তো গালি দেন "শালার মালাউন" বলে, আপনারাই বলেন "নাস্তিকদের বাঁচার অধিকার নেই"। আপনাদের স্ত্রীদের পায়ের তলায় রাখার জন‍্য আপনারাই সব শরীয়াপ্রেমী। আর ভদ্রমহিলারা, দ্বীনের ঝান্ডা ধরে আপনারাই অন‍্য নারীকে বিবস্ত্র করে অস্তিত্বের সুখ পান। রগরগে ওয়াজ মাহফিলে শুধু যানই না সেগুলোর অডিও-ভিডিও সব আপনাদের জনপ্রিয় তালিকায় যত্নে থাকে। আপনারাই সন্তানদের বঞ্চিত করেন শিল্প থেকে, শৈশব থেকে। ওদের শেখান সংগীত হারাম, নৃত্য হারাম, সাহিত‍্য হারাম, প্রাণী ও মানুষ আঁকা হারাম, মেয়েদের খেলাধুলা হারাম। আপনাদের চোখে কন‍্যা শিশুরা হয়ে যায় ছিল্লা কলা। নিজেদের কন‍্যা সন্তানদের ব‍্যাপারে আপনারা প্রত‍্যেকেই একেকজন তেঁতুল হুজুর। 

কি চাই আপনাদের? ওই চিরযৌবনা চিরযৌনতার বেহেশত তো? এতো লোভ...এতো লোভ... এতো লোভ আপনাদের যে ওই বেহেশত পাবার আশায় এত মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিতে, পুরো পৃথিবীকে দোযখ বানাতে আপনাদের এতটুকু বিবেকে বাধে না।

Sunday, December 6, 2020

আমরা বেঈমানের জাত

আমরা বেঈমানের জাত


আমরা পড়ি

আমরা বুদ্ধিহীন ক্লিবের মত ঢুলে ঢুলে পড়ি

আমাদের হোগায় পারলৌকিক লালসার বাঁশ


আমরা ভুলি

আমরা দুই হাত ভরে নিই আর ভুলে যাই

আমরা যেখানে খাই সেখানেই হাগি

নাহলে হজম হয়না


আমরা ভাঙ্গি

পিতার মুখ হাত ভেঙ্গে আমরা হেডম মারাই

শিল্প সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও সৌধের ওপর না মুতলে আমরা বোকাচোদা হয়ে যাই


আমরা চুদি

অসহায়দের না চুদলে আমাদের ঘুম আসেনা

নারীদের অসম্মান না করলে আমাদের জন্ম সার্থক হয়না


আমরা বেঈমানের জাত

আল্লাহ আমাদের সাথে আছে

মোহাম্মদের দোয়ায় কেউ আমাদের বালও ছিঁড়তে পারেনা



Sunday, November 29, 2020

অ-তে অন্তিম যাত্রা

শবগুলো কাঁধে বয়ে নিয়ে যায় ওরা প্রতিদিন

দেহগুলো পড়ে থাকে

রাঁধে বাড়ে খায় দায় শোয় বসে হাঁটে

পৃথিবীকে ওরা বলে "কারাগার"

ওরা, ওদের বাপ, তাদের বাপ, তাদেরও বাপ, তাদেরও বাপ, তাদেরও...

সবার কাঁধে শব


হায় মাতা!

তুমি বল "এইতো নিয়ম। মুক্তি পেল সে হতভাগী।"

মাগো! 

তোমার দেহ চিরে যদি যায় দেখা কোনোদিন

দেখবো সেখানে বাঁচে কোন পিশাচের পিতা

কোনোদিন যে ভালোবাসেনি জীবনের সংগীত, পাখিদের ডানা বা ফুলেদের সংগ্রাম


ইষ্টদেবের এই নদীর কূলে শবযাত্রা দেখে যাই প্রতিদিন 

দেহগুলো পড়ে থাকে

রাঁধে বাড়ে খায় দায় শোয় বসে হাঁটে

এই পোড়া দুচোখ ঝরে যায় তবু মরে না

দুই আগুনে-চোখ ক্ষয়ে যায় তবু শুকোয় না

চেয়ে দেখে শব আর দেহ

অস্তিত্বের আর সত‍্যের অভিশাপ আঁচড়ায় আকাশের নীল দিগন্তের সবুজ জলের ছায়াছবি


হায় মাতা!

তুমি বল "এইতো নিয়ম। স্বর্গ পেল সে হতভাগী।"


মাগো!

আমি হারিয়ে যাবো এইবার জেনো

ওই শব এই দেহ ওই পিতা এই তুমি

বেশ সাজালে আমার অন্তিম যাত্রা!

Saturday, November 28, 2020

Memories: Enchanting Love

I can't remember so much of my early school days. I started at the middle of a year and was only three years old. Some how Baba managed kind of day care for me I think, may be he had no other option then for some reasons. He was the president of the school committee and was very respected in the community. He and his fellows worked hard to form that three storied school for underprivileged children with large play ground and a  beautiful natural water body of its own. The notion was to earn money from fish cultivation so that the school can run smoothly. And most importantly for ensuring the quality of education Baba and some of his friends and colleagues promised and sent their children to that school. I and all of my siblings started our schooling there. 

However, its very difficult for me to recall most of the memories. Being the third kid in family and having number of friends of different ages in neighborhood, I was quite smart at that age but all I used to do in class was "CRYING", enough to screw up a class's whole discipline. Our teacher, I remember her name "Hasnahena Apa", she used to comfort me on her lap and continue the class. I can't remeber her face at all. I only can remember her sari, may be a light pink floral printed sari, and a very affectionate, soft floral smell of her, may be jasmine or some other flower... I dont know... I used to feel sheltered with her and stop crying and start watching that sari... attendance register, chalk, duster... and felt safe and motivated with that loving touch... that smell... aaha...

We really don't know where love is waiting to embrace us!!!



Thursday, November 26, 2020

শিল্পী

সে শুয়ে থাকে ঘাসের ওপর তারপর ঘাস হয়ে যায় আর ঘাসফুল হয়ে ফোটে

বাতাসে দোলে

তাকে মাড়িয়ে যায় মানুষ, ছাগলের পাল, একাগ্র গরু, বুনোরা, পোষ‍্যরা

সে হাত প্রসারিত করে শূন্যে

যেনো আলিঙ্গন করে সমূদ্রকে দিগন্তকে আকাশকে শূন্যতাকে

নাক দিয়ে শুষে নেয় মাটি জল হাওয়া আর আলোর সৌরভ

কঠোর রৌদ্রে জ্বলে যায় চোখ, চোখের পাতা তবু পাখিদের ডানা আঁকড়ে থাকে তার চেতনা

কিংবা পোকাদের দৃষ্টি হয়ে দেখে যায় রঙ আর জনপদ

অলৌকিক সংগীত ও শব্দ খুঁজে ফেরে সরু গলির অন্ধকারে 

কি দারুণ পরাভবে বয়ে যায় অচেনা সত‍্যকে

উন্মাদনা আর ক্লান্তিতে তার দেহে জাগ্রত ইতিহাস

বেঁচে থাকে মরে যায় বর্তমান, ভবিষ্যত 

পার্কের বেঞ্চিতে ভরদুপুরে অনন্ত বসে তার একাকী পলাতক অস্তিত্ব 

নিঃসহায় রয়ে যায় সে নতুনের আকুতিতে

আঙুলে কন্ঠে তার চিরকাল দেশহীন ভূমিহীন পরিচয়হীন অগস্ত‍্য যাত্রা 





Wednesday, November 25, 2020

বেশ‍্যা টুয়েন্টি টুয়েন্টি

 আলগোছে তুই দেখিস কি?

কামনা বাসনা লুকাস? 

নাকি লকলক করে পৌরুষ তোর?

হায়েনার মতো ঝাঁপাস?

ঢি ঢি পড়ে যায় ছ‍্যাঃ ছ‍্যাঃ ছিঃ ছিঃ

আমার বেশ‍্যার মত সাজ

বেশ‍্যার মত আঁচল ওড়ে

নিটুট বক্ষভাঁজ

বেশ‍্যার মতো পদযুগল

উন্মুক্ত বাহু মেলি

শরীরে আমার মণিকাঞ্চন

চাইনা ঘাগরা চোলি

অপূর্ব আমি সদা অমলিন

শিল্পতে করি বাস

তোর বুকে ঝড় তোলে কি আমার

বেশ‍্যার মতো নাচ?

বেশ‍্যার মতো কথা বলি

ভাবি বেশ‍্যার মতো

বেশ‍্যার মতো প্রেমে পড়ি আর

বুকে কামনার ক্ষত

বিছানায় আমি বেশ‍্যাই যেন

ছোটাই আদিম ঘোড়া

দেবী আমি 

এই ঔরশজাত তোরা

কে আছিস কবে কিনে নিয়েছিস

জঠর আবেগ সময়?

গর্বিত আমি বেশ‍্যার মতো

বেশ‍্যার মতো অভয়

বেশ‍্যার মতো রাস্তায় নামি

অফিসে পার্টিতে বাজারে

শ্লোগানে শ্লোগানে বেশ‍্যারা ফিরুক

গ্রামে গঞ্জে ও শহরে

হাত ছেড়ে দেয় বন্ধুরা সব

পরিজন পরিবার

একলা আমি পাল তুলে চলি

জীবনের পারাপার

বেশ‍্যা আমি চিরকালের

নই বেশ‍্যার মতো

বলি দিয়ে যাই দূঃখ, ঘোচাই

পৃথিবীর পাপ যত

মারবি আমায়? ছুঁড়বি পাথর? কে

দিল বিচারের ভার?

লুটবি আমায়? পুড়বি আমায়?

আর কতো? 

বল আর কতোবার?

আর কি দিবি? কি আছে তোদের?

শুধু নরকের ভয়?

স্বর্গ নামবে যেদিন পৃথিবী

হবে যে বেশ‍্যাময়



Saturday, November 21, 2020

চতুষ্কোণ

কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে শহর আর অসময়ে মেঘ করে আছে আজ

স‍‍্যাঁতস‍্যাঁতে দিনদুপুর সন্ধ্যা আর মজ্জা

হিম পড়বার আগে কোথাও মাঝসমুদ্রে বিষন্ন ঝড় উঠেছে হয়তো


অবুঝেরা

যারা নিষ্পাপ সঙ্গে মাঠের ধারে রাস্তায় দোকানে বসার ঘরে দুর্মূল‍্য আনন্দে সময় কাটাতো 

স্বাধীনতার প্রথম আঁকিবুঁকি ছিল তাদের চঞ্চলতায় কৌতুহলী ধূম্রপানে 

সুর আর কবিতারা অর্থময় ছিল আগ্রহী নিবিড় অনুভবে

দ্বিধাগ্রস্ত অজানা সম্পর্কের সমীকরণে তাদের অবুঝ বুকে জমে থাকে অভিমান

দৃষ্টিতে সত‍্য লিখে উষ্ণতার পিপাসা নিয়ে তারা সরে সরে যায় দূরে দূরে ভিন্নবিশ্বাসে ভিন্নরকম জীবনের বাস্তবতায়


ভবঘুরেরা

যারা হাঁটতো পুরো শহরময় আর বসে বসে দেখতো কাকেদের ভোজ, শহুরে পাগল, গড়িয়ে চলা দিন

রাত করে ফিরত বাড়ি ভবঘুরে, বাংলা মাতাল, নেশাখোর আর রাতপরীদের পাশ দিয়ে 

বাতিহীন খুনেদের রাস্তায় তারা ছিল বিশ্বস্ত সহচর

তাদের এলোমেলো চুলে বাসা বাঁধে ডাইনি কুচুটে 

বৃষ্টির ঠাণ্ডা ছাঁটে তাই জ্বলে যায় চামড়া

তাদের অস্থিতে রক্তক্ষরণ আর বিশ্বাসের সীমা ছাড়ায় প্রপঞ্চক অধিকারবোধ


শিকারীরা

যাদের  বিবস হৃদয় নিয়ে দেখা হয়েছিল তারা ছিল নগ্ন শিকারী 

চতুর্দিক ধোঁয়া করে তারা শিকার করত আবেগ দুঃখ জীবনবোধ 

পরিত‍্যাক্ত শহরে তাদের ছোট্ট গুহায় ডুবে যেতো সংগীতে আর লুফে নিত উন্মাদনার শেষ বিন্দু 

লোভ আর লালসার গন্ডি ছেড়ে ধেয়ে আসেনি প্রেম কোনোদিন 

ভালোবাসা তাই পাপ হয়ে কেঁদে ফেরে মেঝেতে

অপেক্ষা আর নেশার প্রতিরোধ বেয়ে তারা হারিয়ে যায় ক্ষমাহীন জনসমুদ্রে


গৃহবাসীরা

যারা সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে একাকিত্ব ভুলেছিল আর দারুণ সবুজ হবে বলে হেঁটেছিল পাহাড়ি পথ ধরে

ঝিঁঝিঁদের গান জোনাকিদের আলোর আশ্বাস নিয়ে প্রতিদিন ফিরে যেত স্বপ্নমগ্ন বিছানায় 

দিনের শেষ চুম্বন মিশে থাকতো নিশ্বাসে 

আঙুলে লেগে থাকত মমতা

তারা চার দেয়াল আর ছাদের নিচে অচেনা দৃশ‍্যপটে বেঁচে থাকে বিমূঢ় আগন্তুক হয়ে

যুগ পেরিয়ে যায় দূর্মতি সময় সমাজ উচ্চমূল্য আগ্রাসী হতাশা যুঝে যুঝে

আড়ষ্ট বর্তমানে ফেরেনা পাহাড়ি পথ


দিন কাটে সংজ্ঞাহীণ চতুষ্কোণে

মেঘ আর কুয়াশা কেটে রদ্দুর ফিরবে জানি অলকানন্দা বাগানবিলাসের কাছে

ছেঁটে দেয়া গোলাপের ডালে উঁকি দেয় নতুন সবুজ

বইঘরে শোবারঘরে ক্লান্তিকর মহামারী

আঙুলে সন্ত্রস্ত শব্দ সংগীত 

মন বলে তবু বাঁধতেই হবে নতুন গান



Friday, November 20, 2020

জননী

ক্লিষ্ট পৃথিবী জঠরে নিপাত যাক

নিপাত যাক অচৈতন্য 

যতবার তোমায় দেখি

যতবার শুনি তোমার কন্ঠস্বর 

যতবার ভাবি তোমাকে 

মনে পড়ে 

আমাদের সম্পর্কের শুরু অবহেলায় ঘৃণায়

তোমার বিরক্তিভরা দৃষ্টি স্পর্শ বাক্য 

আজও বুকে বিঁধে থাকে শীতল মৃত‍্যু যন্ত্রণার মতো

স্নানঘরে উষ্ণ জলে প্রাণময় স্নেহ খুঁজি চিরকাল 

কোলবালিশ বুকে নিয়ে ঘোচাতে চাই অস্পৃশ‍্যতা

বয়স বাড়ে 

জানালায় আলো ফোটে 

রাত নামে

তোমার আমার 

একই সময়ে


বহুবার আমি হেঁটে গেছি দূরে দূরে  

পথ হারিয়েও ফেলেছি কতবার

কতবার ভুলেছি গন্তব্য 

কি করি, আমি শুধু চলতে শিখেছি একা

আর বাঁচতে শিখেছি ঘোরে

আঁজলা ভরে রঙ তুলেছি

আর হারিয়ে ফেলেছি কোথাও 

তোমার জন্য রদ্দুরে ভরা দিন আর মণিমাণিক‍্য খচিত আয়াস কিনেছি কঠিন শ্রমে

তুমি ফিরিয়ে দাওনি, গ্রহণ করেছ অবজ্ঞায়


আমি ভাবতে ভাবতে হারতে হারতে বেঁচে থাকি

তুমি বার্ধক‍্য আর স্থবিরতার দিকে পায়ে পায়ে এগিয়ে যাও প্রতিদিন

কোমরে হাঁটুতে টান

তবু তুমি তুমিই থাকো

অধর্মে নয় 

প্রবল জাত‍্যাভিমানে


গুঁড়ো চিনি যখন নিঃশ্বাসে মেশে

আমি নিষ্ঠুর আবেগী শব্দপুঞ্জ জড়ো করে রাখি গোলাপের তোড়ার মতো

গান লিখি সংগীত সাজাই বিমূর্ত সুখ বা দুঃখের খাঁজে

এ বুকে কষ্ট নয় হাহাকার নয় অনিবার্য এক অস্তিত্বহীনতা চেপে থাকে 

অলৌকিক সুরছবিতে নির্বাণ পায় স্তুতি

ধোঁয়া ধোঁয়া অস্পষ্টতায় আমিও মিশে যাই উবে যাই

অসম পৃথিবীর কড়িকাঠ পেরিয়ে 



Tuesday, November 17, 2020

রুপাকে

 নীল রঙ বড় প্রিয় ছিল তাই নীল হয়েছিল শরীর

কষ্টের রঙ নীল

হয়তো ভালোবাসারও রঙ নীল

ক্ষেদ ছিল রাগ ছিল তারও বেশি ছিল অভিমান

কেউ নয় কেউ নেই 

কেউ কখনো কারো হয় না

ছকে বাঁধা ছাঁচে গড়া কাঁটাঘেরা গন্ডি

নারীতে জাগে না কারো করুণা

অভিমানের রঙ নীল

হয়তো জীবনেরও রঙ নীল

হতাশার ঘুনে ধরা আসবাব দিনকাল

প্রমাণিত চেপে বসে চেতনায় 

নিদারুণ পরিপাটি কর্তব্য কাজ তবু

চির আধুরে এক দ্বিধাহীন "না"য়

হতাশার রঙ নীল 

হয়তো আটপৌরেরও রঙ নীল 

এত রঙ এত ছবি 

বলে যায় হৃদয়ের সত‍্য

এত হাসি ভেসে যায় বাতাসে আকাশে 

মন নয় নিয়মের ভৃত্য 

সত‍্যের রঙ নীল 

হয়তো উচ্ছাসেরও রঙ নীল 

পথভোলা আনমনা পরী এক গল্পের

অভিশপ্ত বন্দী এলো ধরাতে

ম্রিয়মান আলোটুকু রেখে যেতে চাইলো

ছোট্ট এক মমতার স্মৃতিতে 

পরীদের ডানার রঙ নীল

হয়তো মৃত‍্যুরও রঙ নীল

জীবনের ওপাশে নাকি সবকিছু স্বপ্নীল সুন্দর সৎ ও সত‍্য

প্রিয়তম সব হবে অপূর্ব কবিতা যেন (দেখো) 

জীবনের দান নয় ব‍্যর্থ

পরীদের ডানাগুলো নীল

হয়তো ওপারে আকাশ খুব নীল

ভাবনার কি আছে যা সত‍্য তা সত‍্যই

জীবন তো চলবে স্বপ্নরা বাড়বে ছুটবে উড়বে কিংবা মরবেও

কি বা তাতে এসে যায় সময় কি বয়ে চলা থামাবে

নিয়ত বয়ে যাক গ্লানির বোঝা মানুষ 

সময় জানে উত্তর বাস্তব দর্শন 

প্রায়শ্চিত্ত করে লোকে কখনো বা মানবে

গুনে নেবে মিথ্যার মূল্য 

প্রায়শ্চিত্তের রঙ নীল 

হয়তো সময়েরও রঙ নীল



Saturday, November 14, 2020

ক্ষয়িষ্ণু

ভাবি না নশ্বর হবে এই অনুভূতি 

একদিন ঝাউবনে সূর্য ডোবার ঠিক আগে বালুকায় স্থির হবে দুই চোখ

আর মুছে যাবে একে একে 

প্রিয়তম সব মুখ 

হৃদয় শূণ্য রয়ে যাবে

ভীত হবে চিন্তার আন্দোলন 

ভুলে যাব সব ঠিকানা ও সংখ্যা 

বাড়ির পথ ঝাপসা হয়ে হারাবে হাজারো পথে

আমি শুধু হতবিহ্বল হব বালিয়াড়ির ঝাউবনে 

অস্তায়মান ক্লান্ত সূর্যের মুখোমুখি 

প্রিয় কন্ঠস্বর প্রিয় গান প্রিয় স্পর্শ 

কিছুই পড়বে না মনে

আমি সেদিন আমি হব চিরকালের আবারো 

কারো যে হয় না কভু 

মিলায় অজ্ঞাত অন্ধকারে







NeoSocialist

You are a lonely bird🐥 or PartyGag👅or Priest😇

Take a selfie🐸 make a boom💥

Living stringless💀 in own doom😵

Who you are in brain🤯?

A Narcissist😏or the WanderingCane😲?

Not a human 👹 anymore? 

NeoSocialist!!! 🤔🤐🤫

Monday, November 2, 2020

Adorables

Adorable light falls on dolls' house

Adorable dolls Giggle 

Sometimes cry out 

Sometimes Mingle with some melancholy

They can sing a lullaby to a soft afternoon too

Now they learn they run they fall they grieve faster

Outside the window 

Mighty evils are in an endless war for hate

Adorables play sing and dance

Outside the future sighs




English Translation of Bangla Folk Song: Fakir Lalon Shah; চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি; Forever I Nurtured a Mysterious Bird

 Forever I Nurtured a Mysterious Bird Forever I nurtured a mysterious bird, which never discloses its identity. For this grief, my eyes ...