Thursday, August 11, 2022

Days of 2022

We r on the wheels 

one is okay

one is torned

one is under

one is over

How to move on?

How much clever we r?


She sold 

all her gold

She bought

Something stupid to hold

Colorful ribbons r flowing down her hairs

Inside her itches her own ashes

light and cold


He put some new strings on

And doubts his own moods

No hype in his dreams 

Fridge is full of rotten foods

He is broke 

The last stroke

Is distorted and taken 

Thursday, August 4, 2022

ChiffonStory

1

He is like yards of chiffon,

will grab you softly.

And will be blown with your mind.


2

A baby pink chiffon, around her neck

Do you know why?

Do you know what does it hide?


3

During the darkest part of night,

a chiffon scarf is airing down from hight.

Nobody saw it but a dog at site.



Sunday, July 31, 2022

টুকরো কথা : শিল্পবিশ্বাস

কিছু কিছু যুক্তি শুধুমাত্র খোঁড়া নয়, খুব হাস‍্যকরও। অনেক বিদগ্ধ লোকজনকে দেখছি বলছেন রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় শিল্পকর্মের কপিরাইট যেহেতু শেষ হয়ে গেছে সেহেতু রবীন্দ্রনাথের গান যে কেউ যেমন খুশি তেমনভাবে গাইতে পারবে, বাজাতে পারবে। 

রবীন্দ্রনাথ একজন মহান ধ্রুপদ পন্ডিত ছিলেন। শোনা যায় অত‍্যন্ত দক্ষ কন্ঠশিল্পী ছিলেন এবং একাধিক বাদ‍্যযন্ত্র বাজাতে পারতেন। ছিলেন অসামান‍্য গিতিকার এবং সুরকার। তাঁর লেখা ও সুর করা গানগুলোর বেশিরভাগেরই পরিচ্ছন্ন, সুনির্দিষ্ট স্বরলিপি  তৈরী করা হয়েছে এবং ছাপা হয়েছে, এটা এই গোটা ভারতবর্ষের সৌভাগ‍্য। নইলে এতোদিনে বহুলোক রবিঠাকুরের অসংখ‍্য গানই নিজের নামে চালিয়ে দিত, মৌলিক সুর বদলে দিত, কথাও পাল্টে দিত। যেটা অত‍্যন্ত প্রকটভাবে অন‍্য ধারার সংগীতে, বিশেষ করে লোকসংগীতে দেখা যায়। এবং যার ফলে বহু লোকজ সংগীতের সুরসংগঠন, বাণী, ভাব ও মূল দর্শনও বিকৃত হয়েছে, এমন কি বহু অমূল‍্য সৃষ্টি বিলুপ্ত হয়েছে।

কপিরাইট একজন সৃ‍‍ষ্টিশীল মানুষকে এবং তার উত্তরাধিকারদের একটা মেয়াদ পর্যন্ত মৌলিক সৃষ্টির বিপরীতে স্বত্বাধীকার প্রদাণ করে শুধু, যার ফলে বাজারজাতকৃত সৃষ্টিশীল কাজ থেকে আয় করা অর্থ থেকে মূল সৃ‍ষ্টিকর্তা ও তার পরিবার একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বঞ্চিত না হয়। কিন্তু মৌলিক শিল্পকর্ম পরিবর্তন করার অধিকার কখনো কি কেউ পেতে পারে, যখন সেই মৌলিক শিল্পকর্মটি চোখের সামনে আমরা দেখতে পাচ্ছি কিংবা সেটি নথিভুক্ত। ভাবুন তো কেউ অপরাজেয় বাংলা ভাষ্কর্যের মানবমুখমন্ডলগুলোর নাকগুলো ভেঙ্গে দিলো একদিন আর বললো "আমি ইমপ্রোভাইজ করলাম"। কিংবা কেউ বঙ্কিমচন্দ্রের কমলাকান্তের দপ্তর বইটি ছাপিয়ে দিল এর সংলাপগুলো পাল্টে দিয়ে।

ইম্প্রোভাইজেশান, এক্সপেরিমেন্ট এবং বিকৃতি এক কথা নয়। আমাদের বিদগ্ধ শিল্পসচেতনেরা কেন সবকিছু গুলিয়ে ফেলছেন তা আমার ধারনার বাইরে। সম্ভবত সাধারণ বুদ্ধি তাদের নেই কিংবা আমি একজন নিতান্তই আহাম্মক। 

আমাদের ভারতবর্ষে বহুকাল আগ থেকেই শিল্পের মৌলিকতা ও নিজস্বতাকে স্বিকার করা হতো। তা যদি না হতো, মূল স্রষ্টা বিস্মৃত হয়ে যাবার পরও খেয়াল অঙ্গের রাগসংগীত শেখানো এবং পরিবেশন করবার সময় তার সুরগত চলনের মূল সংগঠন ও তাল-লয় কেউ থোড়াই কেয়ার করতো। আদৌ কেউ দশটা ঠাঁট মেনে নিত কিংবা অসংখ‍্য রাগরাগিনীর আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য মেনে নিত। ইম্প্রোভাইজেশান এবং এক্সপেরিমেন্টের চুড়ান্ত পর্যায়ের উদাহরণও হলো এই রাগ সংগীতই। যেমন ধরুন ভৈরবী একটি অত‍্যন্ত সুগভীর ভক্তি ও প্রেমভাব পূর্ণ রাগ। এতে ঋষভ, গান্ধার, ধৈবত এবং নিখাদের কোমল স্বর ব‍্যবহৃত হয়। সংগীতের ব‍্যাকরণে তাই লেখা থাকে, বলা হয়ে থাকে। কিন্তু কোন দক্ষ কন্ঠশিল্পীকে হয়তো দেখা যাবে কখনো কখনো অবরহের সময় কোমল ঋষভের পরিবর্তে শুদ্ধ ঋষভ গাইলেন। এবং তাতে করে ভৈরবীর ভাব ক্ষুন্ন তো হলোই না বরং আরো প্রগাঢ় হলো। একে সংগীতের ভাষায় ইম্প্রোভাইজেশান বলা যেতে পারে। আবার ধরুন কোন একটা প্রচলিত বাংলা লোকগানের মৌলিক সুর অক্ষুন্ন রেখে তার সাথে ভিন্ন ভিন্ন রকম হারমনি সংযোজন করা হলো বা তালের সংগঠন দক্ষতার সাথে পরিবর্তন করে কেউ দেখলো আসলে ঠিক কেমন শোনায়। এই কাজটাকে এক্সপেরিমেন্ট বলা যেতে পারে। বিভিন্ন ধরনের আঞ্চলিকভাবে তুলনামূলক অপরিচিত এ‍্যাকোস্টিক বা সিনথেটিক টোন/ভয়েস বা রিদম প‍্যাটার্ন ব‍্যাবহার করে যে ফিউশান করা হয় সেগুলোকেও এক্সপেরিমান্টাল ওয়ার্ক বলা যায়। সংগীতে ইম্প্রোভাইজেশান কিংবা এক্সপেরিমেন্ট কোনটাই সংগীত বিষয়ে অজ্ঞদের কাজ নয় বরং যারা সংগীতে অত‍্যন্ত পারদর্শী তাদের জন‍্যই। সেই কারনেই পীযুষ কান্তি সরকার কিংবা সূচিত্রা মিত্রের মতো গুণীরা ছিলেন বলে রবীন্দ্রসংগীত আরো সমৃদ্ধ হয়েছে। কিন্তু মূল স্বরলীপিকেই যদি কেউ অস্বিকার করে, অজ্ঞ হয়েও ইম্প্রোভাইজেশান ও এক্সপেরিমেন্টের নামে এর মূল সংগীত গঠনকে যাচ্ছে তাই ভাবে বিকৃত করে তবে তা সেই সংগীতের সৃষ্টিকর্তাকেই অবমাননা করা হয়, অপমান করা হয়। বাখ এর কোন কম্পোজিশান যদি কেউ বিকৃত করে তবে তাকে বিকৃতিই বলা হয়। বাখ কিংবা বিদোভেন এর সংগীতকে ক্লাসিক সংগীত   স্বিকৃতি দেয়া হয় সারা বিশ্বে, রবীন্দ্রসংগীতকে ক্লাসিক হিসেবে মেনে নিতে আপত্তি কেন এই বাংলাদেশে? 

এমনটাও নয় যে গাইতে পারে না সে গান গাইতে পারবে না। মানুষ মনের আনন্দে গান গাইবে এটাই কাম‍্য ও সুন্দরতম বিষয়। কিন্তু কেউ যদি নিজেকে সংগীত শিল্পী দাবী করতে চায় এবং সংগীতকে পেশা হিসেবে নিতে চায় তবে এই শিল্পটি তাকে শিখতে তো হবে, অন‍্য আর সব শিল্পের মতোই। অবশ‍্য যুগের হাওয়া এখন অন‍্যরকম, সংগীত শিল্পীদের পরিবেশনা আজকাল বাংলাদেশের লোকজনের আর ভালো লাগে না, সুদক্ষ শিল্পীদেরটা তো আরো না। বরং অশিল্পীদের গান শুনতেই তাদের ভালো লাগে। কোটি কোটি মানুষ বিকৃতরুচির স্থুল পরিবেশনাগুলোকেই সমর্থন করে ও ভাইরাল করে তোলে। হয়তোবা বেশিরভাগই নিজের অজান্তেই কিন্তু এই যুগে এই অজ্ঞানতা ক্ষমাহীন, তা নিজেকে শেষ করারই সামিল। বিশেষ করে যখন এক সুসংগঠিত কুচক্র প্রতিনিয়তই চায় বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে, বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করতে। তারা প্রমাণ করতে চায় বাংলাদেশ অশিক্ষিত, কুরুচিপূর্ণ, শিল্পহীণ, সৌন্দর্যবোধহীন, স্থুল  মানুষদের দেশ। নিজের অজান্তে আমরা যদি এই কুচক্রের হয়েই কাজ করি তবে এই উদাসীনতা, বিবেচনাহীনতা ক্ষমাহীন।

অনেক বাড়িতেই বাবা মায়েরা ও পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠরা বাচ্চাদের দেশবিদেশের সমৃদ্ধ ক্লাসিক সংগীত শোনাতেন আগে। সমসাময়িক সংগীতও শোনাতেন কিন্তু খেয়াল রাখতেন তার যেন মান ভালো হয়। যার যার সামর্থের মধ‍্যেই সেরা সংগীতটিই বাচ্চাদের শোনাতে চেষ্টা করতেন তারা। তাদের লক্ষ‍্য থাকতো বাচ্চাগুলো শিল্প সংস্কৃতির সাথে যেন পরিচিত হয় এবং বেসুরো হলেও কোনভাবেই যেন অসুরপ্রেমী না হয়।  বই, সিনেমা, এইসবের বেলাতেও তাই। এখনো হয়তো বাবা মায়েরা এভাবেই ভাবেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে যে তাদের রুচিবিকৃতি ঘটেছে ও সাধারণ জ্ঞানবুদ্ধি লোপ পেয়েছে তা হয়তো অনেকেই জানেন না। শিল্পসংস্কৃতির সাথে সবচেয়ে নিকটতম সম্পর্ক হলো সৌন্দর্যের। কেউ হয়তো বলতে পারেন শিল্প তো কুৎসিতও হতে পারে। কিন্তু ভেবে দেখুন তো সমাজ ও ব‍্যাক্তির কুৎসিত রুপকে নান্দনিক বিভৎসতার সাথে ফুটিয়ে তুলতে শিল্প ছাড়া আর কিছু কি পারে? এটাই শিল্পের বিমূর্ত সৌন্দর্য। এ টাকা থাকলেই কিনতে পাওয়া যায় না, গুলে খেয়েও নেয়া যায় না। একে চর্চা করতে হয়, লালন করতে হয়, এর স্বার্থহীণ অমরতাকে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস করতে হয়। 




Friday, July 22, 2022

Foxes from stories when come alive

and pop up in the sky

Bhai re bhai...

Ya Habibi... ya Habibi... bal falai

If U wanna justify

any paedophilia or sexism of any x or y

in the name of love or divinity,

for comfort, for fame or money,

fuck yourself in your heavenly patriarchy 


U r precious, U r pretty 

U r the symbol of material beauty

Complements and expenditures of ya habibi

may bring some blush but not equality.






Sunday, July 17, 2022

I did cut a string 

before that, you gave me the last cut.

then you stabbed me from the back

but still, I moved forward.

Thanks for everything  to me you did.

Life is happening for me, indeed.


Do you see any simple thing?

Do you sleep well and dream sweet?

I don't have time to wish good.

And there is no time to wish any bad.

To the sun grows and blooms, a tree

If written, life is always a poetry.


Anything life does bring,

I learnt that no meaning of a safe guard.

I always knew, it was you who stabbed my back.

All I did was, moving forward.

You do Iive, I know, you will be,

watching self in whatever you see.





Friday, July 15, 2022

I am a mutant,

you are too.

Mutation is happening 

through and through


Who will pop up or

who will go down,

all will be told

by the cueing clown


I am here, I was

I will be,

like you, the truth,

forever free


Laugh and cry,

dust to dust,

time will say 

what will last.


Nothing does matter

now a days,

what is mine or

what is your face.


In a level of abstruction

we run, a light ray too.

Mutation is happening 

through and through...




Wednesday, June 22, 2022

এতো ভালোবাসো তুমি আহা কোন শিশুর মুখ

নিজেকেও যেন পারোনা তেমনটা বাসতে

যতোই হও তুমি নাজেহাল তবু কোন খেদ নেই

পাপহীন শিশুটিকে চেয়ে চেয়ে শুধু দেখতে

নিজেকেও জড়াতে পারতে তুমি মমতা ও প্রেমে

যদি নিজেই নিজেকে নিষ্পাপ বলে মানতে

এই পৃথিবী চির বিস্মৃত আর চির ক্ষমাময় ঈশ্বর 

ক্ষমাহীন অন্তর মরে ক্লেদাক্ত বেঁচে থাকাতে


Friday, June 17, 2022

জানি

চাই ষোল আনা তোমার

ডিএনএর সুদ তুলবে তুমি কড়ায় গন্ডায়

আর ছুঁড়ে দেবে মৃতদেহদের স্মৃতিভস্ম দূরবর্তী কোন আস্তাকুঁড়ে

তারপর গুনে গুনে করবে পবিত্রতম শোকাচার

গুনে গুনে বুঝে নেবে বিন্দু বিন্দু পূণ‍্যকর্ম

আর গুনে গুনে বেচাকেনা করবে আমল 

ঘুমের ঘোরেও উপচে গড়ায় তোমার লালসা

তোমার জন‍্যই ভোগবাদী দ্বীনতত্ব

তোমার জন‍্যই ষোল আনা

জানি।

Friday, June 10, 2022

সময় গুনে স্বপ্ন বুনে শুধুই যাওয়া

যেখানে যা যেখানে যে পড়ে রইলো

জানলা খুলে আনবে না কেউ দমকা হাওয়া

উড়িয়ে দিতে প্রপঞ্চনার জমাট ধুলো

গান ধরেছি নিষাদ ছুঁয়ে এই অবেলায়

তোমার অবহেলায় 

শব্দগুলোর খুব অভিমান হলো 

💔

Wednesday, June 1, 2022

শ্রান্ত পায়ে চলতে চলতে একসময়

টালমাটাল মুখ থুবড়ে পড়লো সে পথিক

আকাশ পথে তখন উড়ে যাচ্ছিল এক বোমারু বিমান

আর জগতের সকল প্রাণী লুকিয়ে পড়েছিল,

কানে চাপা দিয়েছিল আঙুল।

শিশুরা কেঁদেই চলছিল,

ভয়ে না ক্ষুধায়, আজকাল আর বোঝা যায় না।

একটু পরে

আবার সবাই বেরুলো

কেউ সদাই কিনতে

কেউ সদাই বেচতে

কেউ হাওয়া খেতে

বাচ্চাগুলোও খেলতে বেরুলো নিষেধ না শুনে

পাখিগুলোও ডাকতে শুরু করলো পাতার ফাঁক থেকে

ছটফটে কাঠবিড়ালিটা ঠিক খুঁজে পেড়ে নিল একটা টসটসে ডুমুর

দুটো কাক তাড়া করলো তাই কেড়ে নিতে

কুকুর বিড়ালগুলোও পূনরায় বুঝে নিল যার যার অবস্থান 

একটা হাভাতে বাউল কাছে গিয়ে টেনে তুললো পথিকটাকে

ওর হাতে দিল একটা পানির বোতল আর আড়াইখানা এনার্জি বিস্কুট

তারপর তারই পাশে বসে সি মেজর স্কেলে একটা গান ধরলো

"একদিন সব ঠিক করে ফেলবো, দেখো।

সময় আমাদের নয়, কিন্তু আমরা সময়ের।"

এমন ই এই বেঁচে থাকা যেন যাপন করে চলেছি অন‍্য কারো জীবন

যেন এ দেহ  আমার নয় 

আয়নায় সাজিয়ে তুলছি অন‍্য কারো প্রতিচ্ছবি

একটা অচেনা সময়ে ধুকতে ধুকতে

এতো অপরিচয়ের ক্ষমাহীণতা সইতে সইতে

নিজেকেই অচেনা লাগে আজকাল

নিজের পরিচয়টুকুও যেন বিপন্ন নিজেরই কাছে

এক অনুর্বর জনপদে যেন বুনেই চলেছি

শুধুই অযোগ‍্য বিশ্বাসের বীজ


Thursday, May 5, 2022

মারী : দুই

চিন্তাগুলো অবিন‍্যস্ত ছোটাছুটি করে করে হয়রান করে দিচ্ছে 

একটা গুহা ঘুরে দেখছিলাম আমরা

আমাদের হাতে ছিল আদ্দিকালের মশাল

গুহার দেয়ালে আমাদের দ্বিমাত্রিক ছবি আঁকা ছিল

আমি নাচছিলাম একটা ঠ‍্যালা গাড়ির ওপর

তোমার হাতে ফুল ছিল, চার পাপড়ির ফুল

দ্বিমাত্রিক, কিন্তু ঠিক দ্বিমাত্রিক নয়

ছবিগুলো যেন তৃতীয়, এমন কি চতুর্থ মাত্রাও তৈরী করছিল

ছবিগুলো যেন নড়ছিল, চলছিল, নাচছিল

কোন একটা সুর বাজছিল

তোমার ছবিটা যেন কিছু বলছিল

হঠাৎই তুমি আমি আর আরো বহু লোক ধুপ ধুপ শব্দ করে

পড়তে লাগলাম একটা রক কনসার্টে

তোমার কাঁধ থেকে গিটার ঝুলছে

ফ্রেইট বোর্ডে খ‍্যাপা আঙ্গুলগুলো ধেয়ে বেড়াচ্ছে

আমার হাতে অচেনা নাম লেখা প্লেকার্ড

সবাই চ‍্যাঁচাচ্ছে, আমিও

তার মধ‍্যেই নিস্তব্ধতা এক যেন

এমনই, নিজের হৃৎপিণ্ডের শব্দ শুনতে পাচ্ছি

তোমার হৃৎপিন্ডটাও চলছে একই তালে

তোমার নিঃশ্বাস মুখে এসে পড়ছে আমার

গভীর চুম্বনের ভেতর তুমি বলছো কিছু একটা

আমি সায় দিয়ে চোখ বুঁজলাম 

আর এতো অন্ধকার নামলো সাথে সাথে

ডুবে যেতে থাকলাম আমি

তোমার নিঃশ্বাস, তোমার মুখটা অন্ধকারে হারিয়ে গেল

ডুবে যাবার সময় এতো অন্ধকার নামে জানা ছিলো না

আর এটাও জানা ছিলো না যে

চিন্তাগুলো অবিন‍্যস্ত ছোটাছুটি করে করে এমন হয়রান করে তোলে



Sunday, May 1, 2022

মারী : এক

শেষ টিকে ছিল অনামিকায় দু'আনার আংটিটা

কাল বিকেলে তাও যে গেছে বিকিয়ে নজর পড়েনি কারোরই

এক কিলো তুলসি মালা, দুটো সোনালি মুরগী, আধ কিলো হাড় ছাড়া গোশতো, ছোলার ডাল, এক লিটার দুধ, এক ডজন হাঁসের ডিম, ঘি, চিনি, দামি মসলাপাতি, কিছু সবজি যে সে এনেছিল কিনে, কেউ আঁচও করেনি

আজকাল বিকল যন্ত্রগ্রস্তের মতো চাপা অসুখ ও বিপর্যস্ততায় দিন কাটে সবার এই ঘরে

গতকাল দুপুরে প্রিয়তম হাতটি যখন অন‍্য দিনের মতোই সজোরে চড় কষালো

ওরা কেউ কোন শব্দই করেনি

নিরব কোন বিক্ষোভের অস্তিত্বও নেই বেশ কিছুদিন

তবু বহুদিন পর সে রাঁধলো মনের সুখে 

খাবার টেবিলে সাজালো একে একে

কম কম ঝাল, একটু মি‍ষ্টি মিষ্টি স্বাদের

সুবাসিত তুলসী মালা পোলাও, শামি কাবাব, মুরগির কোরমা, হাঁসের ডিমের কালিয়া, পাঁচমেশালি সবজি, আস্ত পুডিং

বাচ্চা দুটোকে ডাকলো আদুরে নামগুলো ধরে তারপর

আহা...

সকাল থেকে ওদের বিষ্ময় ও আনন্দের সীমা নেই আজ

বরকেও ডাকলো সেই পুরোনো আহ্লাদী গলায়

বোন চায়নার ধবধবে থালায় বেড়ে দিলো একে একে প্রত‍্যেককে

ছোট মেয়েটিকে বললো আজ নিজের হাতেই যেন খেয়ে নেয়

তারপর 

ধীর পায়ে হেঁটে গেল স্নানঘরে

দু'ফোঁটা অশ্রু গড়িয়েছে ভুল করে শুধু

কেউ দেখতে পায়নি

জলের তুখোড় শব্দে কেউ কিচ্ছু শুনতে পায়নি

ঝরনার নলটা বেশ মজবুত, পরখ করেছিল সে আগেই

একটু বেঁকে গেলেও ভেঙ্গে পড়েনি

জলের শব্দের মাঝেই এমন গভীর নিস্তব্ধতা নামতে পারে সে কি ভেবেছিল?

ভেবেছিল কি অন‍্যরাও?

ঘরময় তখনো পোলাও, কোরমা, কাবাব, কালিয়ার সুবাস ও উচ্ছাস

কম কম ঝাল, একটু মি‍ষ্টি মিষ্টি 




Thursday, April 21, 2022

কিছুই এতোটা অসহায় করে তুলতে পারেনা

এতো অসহায় বোধ করা যায় জানা ছিল না কোনদিন

হৃদয়ে জমানো কিছু কথা এমন বিঁধলো তোমার বুকে...

কিন্তু জানো তো

সত‍্যি বলতে কিছুই আসে যায় না

আর কিচ্ছু চাই না আমার

শুধু চাই প্রাণখোলা হাসিটুকু তোমার 

ওই আলো ঝরানো হাসিটুকুই চাই শুধু

সব ভুলে মুহূর্তের উচ্ছাসে মাতবো বলেই না সব ফেলে তোমার কাছে ছুটে ছুটে আসা

...এমন বিঁধলো তোমার বুকে...

হাসতে কি ভুলেই গেলে তুমি??!

আমি ঘর অন্ধকার করে বসে আছি

এতো অসহায় আর কোনদিন লাগে নি

Monday, April 18, 2022

ভগবান বুদ্ধ ভগবান ছিলেন না কোন

হতেও চাননি কোনদিন

নির্বাণ প্রাপ্ত হয়ে তিনি পেয়েছিলেন শান্তিময় পথ

নিরাপত্তা ছিলোনা কখনো মানুষের

তার আশাও করেন নি কোনদিন হয়তো

তিনিও করেছিলেন দেহত‍্যাগ একদিন

ভক্তের দল বিভৎস মোহে খুবলে খুবলে সংগ্রহ করেছিল প্রাণহীন শরীরের অংশগুলো তাঁর

দু'শ বছর পর যারা হলেন তাঁর অনুগামী

তাদের প্রয়োজন ছিল পরিপাটি নতুন এক ভগবান, সুখ ও শান্তি লাভের প্রত‍্যাশায়

টিকে থাকার লড়াইয়ে 

তারপর তাদের প্রয়োজন হলো শান্তির বদলে নিরাপত্তা

এই ঘটনাটাই ঘুরে বেড়াচ্ছে হাজার বছর ধরে পৃথিবীময়

মানুষের শান্তির প্রয়োজন ছিলো না কোন দিনই

প্রয়োজন এক বা একাধিক ভগবান শুধু

তার চেয়েও প্রয়োজন ঐশ্বর্য ও নিরাপত্তার কল্পনা

বুদ্ধের শান্তির বাণী তাই করুণ মরমিয়া সুর হয়ে ঘুরে বেড়ায় সমুদ্রের তীরে তীরে

সমুদ্র চিরকালই অমৃতের প্রিয়তম আশ্রয়স্থল 

আমাদের সবার জন্ম নিঃস্বার্থ নয়

কারো কারো জন্ম হয় ছোটলোকদের ঘরে

ছোটলোকরা চেষ্টা করেও নিঃস্বার্থ হতে পারে না

ওরা বার বার আমাদের গলায় পাড়া দিয়ে হত‍্যা করে করে,

কড়ায় গন্ডায়, সুদে আসলে 

উসুল করে নিতে চায় জন্মের দাম


Sunday, April 17, 2022

স্নানঘরের উষ্ণতা মমতায় ঘিরে থাকতে পারে যদি খুব প্রয়োজন হয়

যে কখনো জড়িয়ে নেয়নি ভালোবেসে

কিংবা গ্রহণই করেনি বিন্দুমাত্র 

তার প্রয়োজনীয়তা ফুরোতে পারে এক মুহুর্তেই

প্রয়োজনে গলা টিপে হত‍্যা করতে হয় সব বিশ্বাসের ছলনাগুলোকে

পৃথিবী যখন এলোমেলো হয়ে যায় মিথ‍্যে শিং এর তান্ডবে

স্নানঘরে জলের উষ্ণতায় উবে যাক সব মিথ‍্যে আর আরোপিত সত‍্য, যেতেই পারে

Tuesday, March 29, 2022

তুমি আমায় পাপী বলতেই পারো

তবে আমার পাপে কোন মিথ‍্যে নেই

কোন লোভ নেই লালসা নেই

নেই এক বিন্দু অসততা

নিজেকে পূণ‍্যবান তুমি ভাবতেই পারো

যদিও তোমার পূণ‍্য কর্মের প্রেষণা দেখছি

ওই চকচকে চোখে আর লকলকে জিভে

মিথ‍্যে আর অসততার আভা ঠিকরে বেরুচ্ছে 

তোমার প্রতিবেশ জুড়ে

সত‍্যি অনেক কষ্টে আছো

ওই স্বর্গ সত‍্যি প্রাপ‍্য তোমার

যতোই করো অশ্রদ্ধা কিংবা ঘৃণা আমায়

যতই ছুঁড়ে দাও পাথর, বল্লম কিংবা বিষ্ঠা

শেষ পর্যন্ত করুণা প্রশমিত হয়ে পড়ি

তোমার স্বর্গে ভাগ বসাতে চাই না

যেমন ভাগ বসাতে চাই না তোমার 

ক্ষমতা, প্রতিপত্তি ও সম্পদে

আমার নির্লোভ সৎ পাপটুকু থাক যথেষ্ট

তুমি তো একে কালোই দেখতে পাও

কালিমা ছড়িয়ে কেন যে বৃথা পরিশ্রম করো

আর কেন যে এতো ভয় দেখাও

এই পৃথিবীতে তুমি আমার জন‍্য নরকই তো গড়েছো

আর সবশেষে মাথা উঁচু করে

নরকেই প্রবেশ করতে চাই আমি


Tuesday, March 22, 2022

আমাদের ঘর কোন পণ নেই

আমাদের পরিচয় ধন নেই

আমাদের আছেন এক লালন

ওহে গুণীজন

আমি চাই না বাউল হতে

যদি চুলোয় চাউল জোটে

যদি মগজ সচল ছোটে

আমি এক আমি হতে চাই

ওহে গুণীজন

যদি ভৎসনাটাই মেলে

এক রত্তি ঠাঁই টুকুও পেলে

আমি এক আমিই হতে চাই

আমি চাই না বাউল হতে

আমি চলবো নিজের মতে

এই শহরের পুঞ্জ পুঞ্জ আলোয়

এই শহরের পুঞ্জ পূঞ্জ কালোয়

পাওয়া না পাওয়া মন্দ ভালোয়

নিজেকে খুঁড়েই হারাই হিতে

সর্বহারার মতোই জিতে

আমি চলবো নিজের মতে

আমি চাই না বাউল হতে


Monday, March 21, 2022

নাহ 

কোন আক্ষেপ নেই

কোন দুঃখও নেই আর

ভালোই তো

বেঁচে থাকা যার যার

অতো বুদ্ধি ধুয়ে জল খাও তুমি?

কন্টিনেন্টাল, থাই, চাইনিজ ও দেশীর সাথে

আজকাল দেশীই চলে

চলে যায়

অগত‍্যা

ভারী পর্দার ওপারে ডুবে যায় অগুনতি 

চাঁদ তারা সূর্য

নাহ 

কোন আক্ষেপ নেই

কোন দুঃখও নেই আর...


English Translation of Bangla Folk Song: Fakir Lalon Shah; চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি; Forever I Nurtured a Mysterious Bird

 Forever I Nurtured a Mysterious Bird Forever I nurtured a mysterious bird, which never discloses its identity. For this grief, my eyes ...