ডানে বামে সামনে পিছে উপরে নিচে
সবাই যখন নানান ধর্মের হুজুর হয়ে যায়
আমি তথৈবচ প্রকৃতস্থ বিমূর্ত অব্যয়ে
চির অনাকাঙ্ক্ষিত সমতার অপেক্ষায়
আমার কোনদিনই যাবার বিশেষ জায়গা ছিল না
কখন কবে যে একটা নিশ্ছিদ্র একাকিত্বকে আপন করে নিয়েছিলাম মনে নেই
তবুও যখন হৃদয় ভারী হয়ে উঠতো কিংবা বুকে ব্যাথা ব্যাথা করতো
মায়ের কাছে ঠাঁই না মিললেও
মমতার আশ্রয় মিলতো মাতৃভাষার কাছে
সেই কখন
বাক্যগঠন শিখছি যখন মোটে
রোলটানা খাতায় পর পর শব্দ জুড়ে লিখে রাখতাম হৃদয়ের আবেগ
সবাই হেসে গড়িয়ে পড়তো আমার কান্ড দেখে
সেই যে পাশের বাড়ির মামাটা চ্যাংদোলা করে তুলে সবাইকে বলতো
"এই যে দ্যাখো সবাই! আমাদের পাগলা কবি!"
প্রিয়তম বইয়ের পাতায় শব্দরা আমাকে বুঝিয়েছে
কিভাবে উপভোগ করতে হয় বেঁচে থাকা
কিভাবে লড়ে যেতে হয় সংগ্রাম
কিভাবে দাঁড়াতে হয় একা
জানিয়েছে
"তুমি একা নও"
আমি জেনেছি
ভাষা মানে শুধু শব্দ নয়
ভাষা মানে নিরবতাও
ভাষা মানে সংগীত
ভাষা মানে নৃত্য
ভাষা মানে রং
ভাষা মানে চিন্তা
ভাষা মানে শুণ্যতা
ভাষা মানে অপারতা
আমার আজও যাবার বিশেষ জায়গা নেই
কারো কাছে ঠাঁই না মিললেও
মমতার আশ্রয় ঠিক মেলে মাতৃভাষার কাছে
আমি সেই সবুজ মেয়ে যে বসে থাকতো পাহাড়ে সবুজ ঘাসের ওপর
কথা বলতো মনে মনে
দূরের পৃথিবী আর আকাশটাকে দেখতে দেখতে বিরামহীন
সময় থেমে যেত যার গভীর ঘন সবুজের ছায়ায়
আমি সেই সবুজ মেয়ে যে ভিজে যেত যতক্ষণ না বৃষ্টি থামতো
আপাদমস্তক সিক্ত থাকতো যার সবুজ বৃষ্টিতে
দমকা হাওয়ায় যে মেলে ধরতো প্রাণ
আর গান গেয়ে যেত নেচে যেত কিংবা হেসেই যেত যতক্ষণ ইচ্ছে
আমি সেই সবুজ মেয়ে যার চোখে মুখে লেগে থাকতো সূর্যের শেষ আলোটুকু
আর ঘরে ফেরা পাখিরাও ওকে দেখে যেত মমতায়
বিবেচক কুকুরের দল কাছে ঘেঁসে থাকতো পাহারায় যার
আমি সেই সবুজ মেয়ে যে শুয়ে থাকতো জোছনায়
জোনাকিরা মদ্যপ মাতালের মতো বেরিয়ে আসতো ঝোপগুলোর আড়াল থেকে দলে দলে
তবুও সে আচ্ছন্ন হয়ে থাকতো কোন বিষাদগ্রস্ত সুর বা কবিতায়
আমি সেই সবুজ মেয়ে যে একদিন আনমনে হেঁটে গিয়েছিল নিরুদ্দেশে
একটা অচেনা জনপদে এসে ভিড়েছিল তারপর
যেখানে সবাই অন্য এক ভাষায় কথা বলে
আর কেউ যেখানে সবুজ নয়
যেখানে আকাশ নেই বৃষ্টি নেই সবুজ নেই
সূর্যের শেষ আলো ও জোছনা যেখানে ম্লান
জোনাকি নেই পাখিরা নেই
নেই একটাও বিবেচক কুকুর
আমি সেই সবুজ মেয়ে যার সারা শরীর ক্লেশাক্ত
প্রাণ আড়ষ্ট কন্ঠ রুদ্ধ হয়েছিল হঠাৎই
যে মরে পড়ে ছিল আছে বহু বছর ধরে
When you were gone, the moon arrived
I was alone and in a gloom watching the city
Didn't miss your touch or your voice,
Rather I missed the real me I used to be.
Some teenagers were making some fire on the shore.
One of them was strumming happy chords.
A couple, I saw, were kissing like it was the end of time
Smells of fish fries were in the air with itchy smokes
When you said its over, and you had to go,
I wasn't surprised. my head was heavy.
Didn't miss your touch or your voice,
Rather I missed the real me I used to be
Someone came over and greet me that eve.
I smiled back like I was chilling around.
A girl in floral shirt started singing a ballad.
She was amazed with a true love that she just found.
When you were gone, those people arived.
I was broken, but didn't look at your leaving
Didn't miss your touch or your voice,
Rather I missed the real me I used to be.
মাঝেমধ্যে, ইয়ে মানে, কঠিন করা ক্ষমা
দু'একটা, অগত্যাই, ফাটাতে হয় বোমা
কই গ্যালা? দেখিনা তো! কাছে থাকো মামু
তুমিও ছেড়ে গেলে, কোন চুলাতে যামু?
বোমার কথা শুনে হলে বুঝি ভীত?
ভয় নাই। হেঁ হেঁ।
ঢোঁড়া সাপের মতো এটাও প্রশমিত
কি বল্লা? রাগ করসো? মামু ডাকলাম তাই?
ঠিক আছে, তুমি আমার জানের জিগার ভাই!
তুমি আমার ভাইয়া, আমি তোমার আপি
হাল ফ্যাশনে, রাস্তা নেহি, স্যোশাল স্টেটাস মাপি
তাই আমাদের ভীষণ মিল, গলায় গলায় ভাব
পিঠ চাপড়ে দিই যখনই মেলে খাপের খাপ
না মিললেও প্রব নাই, লাভের ওপর লাভ
খানাদানার নো চিন্তা, আছে গৌরী সেন বাপ
কি বল্লা? গৌরী সেন নয়? ফকিন্নি?
আহহা! কথাটা বুঝলানা?
যুগটা এখন পল্টি খাওয়ার, ধরতে হবে ধামা
বাপের ওপর বাপ আছে, বুঝলা কি না ভাইটু?
ঠিকঠাক ধামা ধরে করতে হবে শালটু
হাল ফ্যাশনের বাপ ধরো, হাল ফ্যাশনের ঘ্যাম
জীবন এখন ভার্চুয়াল, আর বাকি সব লেইম
ভাই আমার! তুই ই আমার মায়ের পেটের ভাই!
রিয়েকশান কর, শেয়ার কর, কমেন্ট করাও চাই
মনে তোর যাই থাকুক, দাঁতটা ক্যালা সোনা!
আমরা দুজন আলাদা কই? একই ঝাঁকের পোনা
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ঠিক খুঁড়বো একটা কুয়া
গলাগলি রইবো দুজন, তুলবো ঘ্যাঁঙর ধুয়া
একই সাথে খাবো, দাবো, পাদবো দুজন একসাথে
ধান্দাখানা ফুরোলে, হাগবো নাহয় শেষ পাতে
এটাই নিয়ম, বুঝলি তো? হতেই হবে ফেমাস
প্রয়োজনে ডান হবো, প্রয়োজনে বাম হবো,
কিংবা থাকবো মাঝামাঝি, পাল্টে নেবো লেবাস।
এই নে ভাই, মুড়ি খা, এলি তো অনেকক্ষণ
ভার্চুয়ালি ঠিক বাসবো ভালো মিলিয়ন বিলিয়ন!
একটা সুন্দর গাছ বানালাম যত্নে
আর মুখোশগুলো ঝুলিয়ে দিলাম
সুবিন্যস্ত ডালপালা থেকে
সবাই হাততালি দিয়ে বললো
বাহ! কি সুন্দর!
তুমিও আবেগে আপ্লুত হয়ে বললে
বাহ! কি সুন্দর!
তারপর বা তার আগে
সত্যিকারের মুখগুলো সব লুকিয়ে রাখলাম
বা সাহায্য করলাম লুকিয়ে রাখতে
অপূর্ব গাছটার সামনে দাঁড়িয়ে
আমিও স্মিত হেসে বললাম
বাহ! কি সুন্দর!
Now a days I don't feel anything much
Sometimes even my heart misses few beats
But I don't feel an alert at all
Nothing is in order nothing falls in place
Though we waited for long n long n long
I dont feel depressed
I dont feel hopeless or hopeful
There is some chest pain, some blur vision, some stringless reality
I don't feel to feel them at all
My brain works like a mecha as always
Fevers come n go like former people
In my balcony flowers bloom n die like dreams as always
ওরে মন, ভবের কথা শোন
তুই যদি হোস একজনা, সংগীতও একজন
ওরে মন, হায়রে, এত্তোটকুন মন
কেমন করে গাইবি, ধরবি রে তুই ধুন?
ওরে প্রাণ, ভবেরে তুই জান
নিজের আধার না হইলে কোথায় পাবি স্থান?
ওরে প্রাণ, দে না খুলে প্রাণ
ধন নয়, নয় মান, ধর এক জাগরনী গান
ওরে কায়া, ভবেরই তুই মায়া
সুরের জালে নে বেঁধে অবাক নিজের ছায়া
ওরে কায়া, জাদুকরী কায়া
গানের তরী বাইবি রে তুই, হইলে অনুসূয়া
পিয়ানোতে আঙুল স্থির হতেই
বৃদ্ধ লোকটি মাথায় স্নেহের হাত রেখে বললেন
বাহ! হাতটা তো খুব মিষ্টি!
গলাটাও ভারী মিষ্টি দেখি!
আমি কিছু না বলে ব্যাগ গুছিয়ে
গ্রস্ত পায়ে বাড়ি ফিরলাম
বিছানায় শুয়ে শুয়ে নিজেকেই বললাম
না বলা কথাটা
মিষ্টি করে বাজাতে চাই না আমি
চাই না গলাটাও মিষ্টি শোনাক
এই ছিন্নভিন্ন হৃদয়টা শোনাবো বলে একদিন
অপেক্ষা করে আছি
আমার বাবাকে ছয়শো কোটি টাকার একটা দূর্নীতি মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া হয়েছিল। সে সময় কোন প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র একটা অনুমানের ভিত্তিতে পত্রিকায় এবং টেলিভিশনের খবরে আমার বাবার নাম অভিযুক্ত দূর্নীতিবাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ডিভিশানের হেড হিসেবে, সারা জীবন সৎ থাকা আমার বাবা, যদি ওই একটি মাত্র দূর্নীতি করে ওই ছয়শো কোটি টাকার ন্যুনতম দশ শতাংশও আত্মসাৎ করতো তবে সে খুব সহজেই পুরো ক্যাশ ষাট কোটি টাকার মালিক হয়ে যেতো। সেই ষাট কোটি টাকার বর্তমান মূল্য হয়তো দাঁড়াতো অন্তত দুইশো কোটি টাকা, ক্যাশ। আমার বাবা সারা জীবন কর্মক্ষেত্রে সৎ থেকেছেন। অনেকেই থাকেন। আমার নিজের পরিবারেই বেশ ক'জন কয়েক প্রজন্মের সরকারি কর্মকর্তাদের খুব কাছ থেকেই সৎ থাকতে দেখেছি, এখনো দেখছি। আমার বাবার বিশ্বাস ছিল পৃথিবীতে সৎ ও ভালো মানুষের সংখ্যাই বেশি, বলতো যেন কখনো বিশ্বাস না হারাই মানুষের ওপর। শেষ পর্যন্ত বাবার সেই বিশ্বাস অটুট ছিল কি না সে ব্যাপারে আমি দ্বিধাগ্রস্ত বোধ করি মাঝে মাঝে। আমার বাবা একটা প্রচন্ড হতাশা ও কষ্ট বুকে নিয়েই তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিল হয়তো। কারন সেই দূর্নীতি মামলাটার কোনদিন নিষ্পত্তি হয়নি এবং কোন প্রমাণ না মিললেও বাবাকে তার জীবদ্দশায় ওই মামলা থেকে নিষ্কৃতি দেয়া হয়নি। বরং মামলা চালাতে গিয়ে এবং দূর্নীতিবাজ প্রশাসনিক অনুসন্ধানকারীদের মিথ্যা রিপোর্টিংয়ের ব্ল্যাকমেইলিংয়ের চক্করে পড়ে তার শেষ সম্বল ও শান্তিটুকুও খুইয়ে ফেলেছিল। এছাড়াও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় চাকরি শেষে পাওনা ফাইনাল স্যাটেলমেন্টের টাকাটাও দেখে যেতে পারেনি বাবা। একবার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম এই পুরো ঘটনাটা সে ঠিক কিভাবে দেখে? বাবা উত্তর দিয়েছিল "এতো মানুষ অন্যায়ের শিকার হচ্ছে, এতো মানুষ বিচার পাচ্ছেনা, আমিই বা কেন বাদ পড়বো? অন্য অনেকের সাথে যা হচ্ছে এই সময়ে, আমার সাথেও তাই হচ্ছে।" আরো জিজ্ঞেস করেছিলাম সারা জীবন সৎ থেকে, এতো মানুষের জন্য এতো ত্যাগ করে কি পেলে? কিছুই তো পেলে না জীবনে, কি লাভ হলো? বাবা এসব প্রশ্নে মৃদু হাসতো শুধু, বলতো, "এভাবে বলে না মা। কে বললো আমি জীবনে কিছু পাই নাই? আমি জীবনে অনেক কিছু পেয়েছি। এতো কিছু, যা কোনদিন চিন্তাও করি নাই, আমি যা পেয়েছি মানুষ তো কল্পনাতেও তা পায়না। এর জন্য আমি আল্লার কাছে শুকরিয়া আদায় করি। আমার মতো সামান্য মানুষের প্রতি উনার এতো দয়া। একটা কথা মনে রাখবা মা তোমার জীবনের হিসাব কখনো অন্য মানুষকে করতে দিবানা। তুমি কি পেয়েছো কি পাও নাই জীবনের কাছ থেকে তা শুধু তুমিই জানো আর আল্লা জানেন।"
আমার বাবাকে কখনো অযথা উঁচু গলায় কথা বলতে শুনিনি। কখোনো প্রতিবাদ করতে দেখেছি কিংবা নিজের মতামত প্রকাশ করতে দেখেছি, কিন্তু কারো সাথে খারাপ ব্যাবহার করতে বা অপমান করতে দেখিনি। আমার মা বা অন্য কোন নারীর মর্যাদা ও যোগ্যতাকে অসম বিচার করতে দেখিনি। মায়ের কোন চিন্তা বা সিদ্ধান্তকে অসম্মান করতে দেখিনি। সন্তানদের মধ্যে বিভেদ করতে দেখিনি। কোন ধর্মের বা বিশ্বাসের মানুষের প্রতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করতে শুনিনি। একজন বাবা হিসেবে এবং প্রয়োজনে একজন মায়ের মতোও বুকে রেখে লালনপালন করেছেন আমাদের। এতো স্নেহ দিয়েছেন যা আমৃত্যু আমাদের আগলে রাখতে পারে। এমন জীবন বোধ জাগিয়ে দিয়ে গেছেন নইলে এই দূবৃত্ত সময়ে বেঁচে থাকা হয়তো কঠিন হয়ে যেত। বাবা আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে অল্পতে সন্তুষ্ট থাকতে হয় কারন অসংখ্য মানুষের ওই অল্পটুকুও নেই। শিখিয়েছেন "যদি তোমার ইচ্ছা থাকে তুমি তোমার অল্পটুকুই, যার তাও নেই তার সাথে ভাগ করে নিতে পারো। তোমার অল্প সম্বল নিয়ে নিজে তো ভালো থাকতে পারোই অন্যের পাশেও দাঁড়াতে পারো। এর পুরোটাই নির্ভর করে তোমার ইচ্ছা ও পছন্দের ওপর।" বাবা কথায় ও কাজে এক ছিল। কম কথাই বলতো বাবা কিন্তু যা বলতো তার প্রতিফলন আমরা ওর জীবনযাপন ও কাজে দেখতে পেতাম। মনে আছে আমাদের বাসায় সবসময় কয়েকজন লোকের জন্য বাড়তি রান্না করা হতো। সরকারি দপ্তরে সারা দেশ থেকে লোক আসতো কাজে। কতো বৃদ্ধবৃদ্ধারা, দরিদ্র লোকেরা কাজ নিয়ে আসতো, বাবা প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় কাজ করে ওদের ঝামেলা ও খরচ কমানোর চেষ্টা করতো আর যাদের খাবার পয়সা নেই তাদের খাওয়ানোর জন্য ঘরে নিয়ে আসতো সাথে করে। আমার মাকেও কখনো এ নিয়ে কোন অভিযোগ করতে শুনিনি। বাবার চেনা কেউ অর্থসঙ্কটে পড়লে সবার আগে ওদের মোহাম্মদের (বাবার) কথাই মনে পড়তো, নিজের পকেটে টাকা না থাকলেও, বাবা যদি বলতো অন্য লোকেরা অচেনা মানুষকেও ধার দিতে রাজী হয়ে যেতো।
আমার বাবা কর্মজীবনে, পারিবারিক জীবনে এবং সামাজিক জীবনেও অত্যন্ত সফল একজন মানুষ ছিল। অনেকে আবেগপ্রবণ হয়ে ওকে আল্লার ফেরেশতাও বলতো। শেষ কয়েক বছর বলতে গেলে একদম বাসা থেকে বের হতো না বাবা। মাঝে মাঝে দরকারে অফিসে বা মেডিকেল চেকাপে গেলে লোকজন খবর পেয়ে ছুটে ছুটে আসতো এক নজর দেখার জন্য, একটু কথা বলার জন্য। দূর্নীতির দায়ে ফাঁসিয়ে দেবার পরও লোকজন ভীড় করে সাহস যোগাতো বাবাকে বলতো "একদম ভয় পাবেন না স্যার/ভাই, আমরা বিশ্বাস করি আপনি কোন অন্যায় করেন নি। সব ষড়যন্ত্র। আপনার কেউ কোন কিছু করতে পারবেনা।" লোকজনের আবেগ উৎকন্ঠা দেখেও বাবা লজ্জিত বোধ করতো। ভাবতো ওর জন্য অন্যদের শান্তি নষ্ট হচ্ছে। বাবা কাউকে কষ্টে ফেলতে চাইতো না। প্রচন্ড অসুস্থ অবস্থাতেও কেউ সামান্য সাহায্য করে দিলে খুব লজ্জিত বোধ করতো। মৃত্যুর সময় নিজের গায়ের ফুলশার্ট আর গেঞ্জি নিজে খুলে ফেলেছিল যেন মৃত অবস্থায় অন্যদের কোন কষ্টে না পড়তে হয়। বাবা মারা যাবার পর যারা এসেছিল ওরা সবাই বলেছিল "একজন মানুষ চলে গেল আমাদের ছেড়ে। এমন মানুষ আর কি জন্মাবে?" কেউ বা বলেছিল "উনি ফেরেশতা ছিলেন। মানুষের শরীর দিয়ে আল্লা উনাকে পাঠিয়েছিলেন।" মানুষের কথা শুনে সেদিন মনে হয়েছিল সত্যিই তো, মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে এর চেয়ে বেশি আর কিইবা পাওয়ার থাকতে পারে এক জন্মে? বাবা ঠিকই বলেছিল, সে জীবনে অনেক কিছু পেয়েছে। এতো কিছু যা কেউ কল্পনাতেও পায় না।
ক্রমশ...
Forever I Nurtured a Mysterious Bird Forever I nurtured a mysterious bird, which never discloses its identity. For this grief, my eyes ...